০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা: সৌদি ও আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে

ইরানের চলমান সামরিক তৎপরতা এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এখন তেহরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘাতে নামার প্রান্তে পৌঁছেছে — এমন দাবি করেছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, যা অনাদোলু সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হয়েছে।

দীর্ঘদিন সরাসরি মোকাবিলা এড়িয়ে চললেও এখন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব সীমিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিয়ে সামরিক সহযোগিতার পথে এগোচ্ছে। বিশেষ করে রিয়াদে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ মার্কিন বাহিনীকে কিং ফাহাদ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানি হামলার মধ্যে সৌদি আরবের ধৈর্যের একটি সীমা আছে এবং কেউ যেন তাদের সক্ষমতাকে ভুলভাবে মূল্যায়ন না করে।

সূত্র বলছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান পাল্টা আক্রমণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অনেক কাছাকাছি রয়েছেন। অন্যদিকে, যুদ্ধ এক মাসে পৌঁছানোর মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাত তেহরানের আর্থিক লাইফলাইন লক্ষ্য করে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

দুবাইয়ে থাকা কয়েকটি ইরানি প্রতিষ্ঠান — একটি হাসপাতাল ও সামাজিক ক্লাবসহ — ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমিরাত সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে তারা ইরানি মালিকানাধীন কোটি কোটি ডলারের সম্পদ জব্দ করতে পারে, যা সংকটে থাকা ইরানের অর্থনীতিকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।

সৌদি আরব ও আমিরাতের পাশাপাশি কুয়েত ও কাতারও সাম্প্রতিক জ্বালানি স্থাপনা হামলার পর ইরানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে। কাতার এসব হামলাকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই দেশগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রতিজ্ঞা করেছে—যদি ইরান উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে এই অঞ্চলে বড় ধরনের সরাসরি সংঘাত এড়ানো মুশকিল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, উত্তেজনা বাড়তে থাকলে অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি যুক্তি-বিহীন নয়।

সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (উল্লেখ), অনাদোলু

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা: সৌদি ও আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের চলমান সামরিক তৎপরতা এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এখন তেহরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘাতে নামার প্রান্তে পৌঁছেছে — এমন দাবি করেছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, যা অনাদোলু সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হয়েছে।

দীর্ঘদিন সরাসরি মোকাবিলা এড়িয়ে চললেও এখন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব সীমিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিয়ে সামরিক সহযোগিতার পথে এগোচ্ছে। বিশেষ করে রিয়াদে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ মার্কিন বাহিনীকে কিং ফাহাদ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানি হামলার মধ্যে সৌদি আরবের ধৈর্যের একটি সীমা আছে এবং কেউ যেন তাদের সক্ষমতাকে ভুলভাবে মূল্যায়ন না করে।

সূত্র বলছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান পাল্টা আক্রমণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অনেক কাছাকাছি রয়েছেন। অন্যদিকে, যুদ্ধ এক মাসে পৌঁছানোর মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাত তেহরানের আর্থিক লাইফলাইন লক্ষ্য করে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

দুবাইয়ে থাকা কয়েকটি ইরানি প্রতিষ্ঠান — একটি হাসপাতাল ও সামাজিক ক্লাবসহ — ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমিরাত সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে তারা ইরানি মালিকানাধীন কোটি কোটি ডলারের সম্পদ জব্দ করতে পারে, যা সংকটে থাকা ইরানের অর্থনীতিকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।

সৌদি আরব ও আমিরাতের পাশাপাশি কুয়েত ও কাতারও সাম্প্রতিক জ্বালানি স্থাপনা হামলার পর ইরানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে। কাতার এসব হামলাকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই দেশগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রতিজ্ঞা করেছে—যদি ইরান উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে এই অঞ্চলে বড় ধরনের সরাসরি সংঘাত এড়ানো মুশকিল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, উত্তেজনা বাড়তে থাকলে অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি যুক্তি-বিহীন নয়।

সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (উল্লেখ), অনাদোলু