০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না চট্টগ্রামে তিন জাহাজে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি আসছে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: একাত্তরকে অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলানো যাবে না স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: উদ্ধার ২৬, নিখোঁজদের খোঁজ চলছে হোয়াইট হাউজে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৬ মরদেহ উদ্ধার

মুক্তি পেল মহাকাশ অভিযানের সায়েন্স ফিকশন ছবি ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’

পৃথিবীর অস্তিত্ব সংকটের দরুণ নির্মিত সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। গল্পে সূর্যের আলো ধীরে ধীরে স্তিমিত হওয়ার ফলে মানবজাতির ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়ে পড়ে এবং এক সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষক হিসাবে পরিচিত রাইল্যান্ড গ্রেসকে (রায়ান রেনল্ডস) মানবজাতি বাঁচানোর মহামূল্যবান দায়িত্ব নিতে দেখা যায়।

চলচ্চিত্রটি জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের সমান-নামক উপন্যাস অবলম্বনে ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার পরিচালিত। ছবির শুরুতেই রাইল্যান্ড গ্রেস এক মহাকাশযানে অচেতন অবস্থায় জাগিয়ে ওঠেন; স্মৃতিহীনতার সুমিৎ ভ্রমণের মধ্যেই তিনি ধীরে ধীরে উপলব্ধি করেন যে পৃথিবী থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে একটি একক জাহাজেই তিনি একা রয়েছেন। এরপরই প্রকাশ পায় তাঁর প্রকৃত মিশন: সূর্যের শক্তি শুষে নেওয়া ‘অ্যাস্ট্রোফেজ’ নামক অণুজীবকে ছত্রভঙ্গ করে পৃথিবীকে বিলুপ্তির কাছ থেকে রক্ষার চেষ্টা।

ছবির সবচেয়ে আবেগঘন দিকগুলোর একটি হলো রাইল্যান্ড গ্রেস ও ‘রকি’ নামের একটি ভিনগ্রহী প্রাণীর অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্ব। নির্মাতারা এই সম্পর্ককে সরল ও হৃদয়স্পর্শীভাবে উপস্থাপন করেছেন—সাহস, তুখোড়তা ও আত্মত্যাগের মিশেলে গড়ে ওঠা তাদের সম্পর্ক দর্শককে গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়।

রায়ান রেনল্ডস একাকী মহাকাশচারীর চরিত্রে তার আবেগ, হিউমার এবং নির্ভীকতার মিশ্রণের মাধ্যমে চরিত্রটিকে বাস্তবিকভাবে জীবন্ত করে তুলেছেন। সাপোর্টিং কাস্টে স্যান্ড্রা হুলারের সাবলীল অভিনয় ছবির আবহ বাড়িয়েছে। ড্যানিয়েল পেমবার্টনের সঙ্গীত ও গ্রেইগ ফ্রেজারের চিত্রগ্রহণ নির্মাণশৈলীতে দিকনির্দেশক ভূমিকা রেখেছে, ফলে ভিজ্যুয়াল ও শ্রুতিমধুর দিকগুলো ছবিটিকে শক্তিশালী করেছে।

গল্পের বুনন কিছুটা জটিল মনে হওয়া সত্ত্বেও নির্মাতাদের কাহিনিকথন ও অভিনয়-প্রযেকশনের সমন্বয় ছবিটিকে সমালোচক ও দর্শকদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে প্রশংসা এনে দিয়েছে। মৌলিক ভাবনা ও চরিত্রে মানবিক যোগসূত্র থাকায় ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ বক্স অফিসেও ভালো অবস্থানে থাকার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না

মুক্তি পেল মহাকাশ অভিযানের সায়েন্স ফিকশন ছবি ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পৃথিবীর অস্তিত্ব সংকটের দরুণ নির্মিত সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। গল্পে সূর্যের আলো ধীরে ধীরে স্তিমিত হওয়ার ফলে মানবজাতির ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়ে পড়ে এবং এক সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষক হিসাবে পরিচিত রাইল্যান্ড গ্রেসকে (রায়ান রেনল্ডস) মানবজাতি বাঁচানোর মহামূল্যবান দায়িত্ব নিতে দেখা যায়।

চলচ্চিত্রটি জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের সমান-নামক উপন্যাস অবলম্বনে ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার পরিচালিত। ছবির শুরুতেই রাইল্যান্ড গ্রেস এক মহাকাশযানে অচেতন অবস্থায় জাগিয়ে ওঠেন; স্মৃতিহীনতার সুমিৎ ভ্রমণের মধ্যেই তিনি ধীরে ধীরে উপলব্ধি করেন যে পৃথিবী থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে একটি একক জাহাজেই তিনি একা রয়েছেন। এরপরই প্রকাশ পায় তাঁর প্রকৃত মিশন: সূর্যের শক্তি শুষে নেওয়া ‘অ্যাস্ট্রোফেজ’ নামক অণুজীবকে ছত্রভঙ্গ করে পৃথিবীকে বিলুপ্তির কাছ থেকে রক্ষার চেষ্টা।

ছবির সবচেয়ে আবেগঘন দিকগুলোর একটি হলো রাইল্যান্ড গ্রেস ও ‘রকি’ নামের একটি ভিনগ্রহী প্রাণীর অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্ব। নির্মাতারা এই সম্পর্ককে সরল ও হৃদয়স্পর্শীভাবে উপস্থাপন করেছেন—সাহস, তুখোড়তা ও আত্মত্যাগের মিশেলে গড়ে ওঠা তাদের সম্পর্ক দর্শককে গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়।

রায়ান রেনল্ডস একাকী মহাকাশচারীর চরিত্রে তার আবেগ, হিউমার এবং নির্ভীকতার মিশ্রণের মাধ্যমে চরিত্রটিকে বাস্তবিকভাবে জীবন্ত করে তুলেছেন। সাপোর্টিং কাস্টে স্যান্ড্রা হুলারের সাবলীল অভিনয় ছবির আবহ বাড়িয়েছে। ড্যানিয়েল পেমবার্টনের সঙ্গীত ও গ্রেইগ ফ্রেজারের চিত্রগ্রহণ নির্মাণশৈলীতে দিকনির্দেশক ভূমিকা রেখেছে, ফলে ভিজ্যুয়াল ও শ্রুতিমধুর দিকগুলো ছবিটিকে শক্তিশালী করেছে।

গল্পের বুনন কিছুটা জটিল মনে হওয়া সত্ত্বেও নির্মাতাদের কাহিনিকথন ও অভিনয়-প্রযেকশনের সমন্বয় ছবিটিকে সমালোচক ও দর্শকদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে প্রশংসা এনে দিয়েছে। মৌলিক ভাবনা ও চরিত্রে মানবিক যোগসূত্র থাকায় ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ বক্স অফিসেও ভালো অবস্থানে থাকার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।