১০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চট্টগ্রামে তিন জাহাজে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি আসছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: একাত্তরকে অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলানো যাবে না স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: উদ্ধার ২৬, নিখোঁজদের খোঁজ চলছে হোয়াইট হাউজে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৬ মরদেহ উদ্ধার

জ্বালানি অস্থিরতায় স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

সরকার বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অধীনে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। বৈঠকটি অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব এই অনুমোদন পায়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এলএনজি দুই দফায় দেশে পৌঁছাবে—১০ম কার্গো সরবরাহ করা হবে ২৪–২৫ এপ্রিলের মাঝে এবং ১১তম কার্গো সরবরাহ করা হবে ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে। ক্রয়ের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার। প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এ কারণে স্পট মার্কেটে তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কেনা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সরবরাহ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১১ মার্চ ওই কমিটি তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়; তখন এক কার্গোর মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুই কার্গোর মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার আগের সপ্তাহেও দুই কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, যেখানে একটি কার্গোর দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার। এসব ক্রয় সরকারের তৎকালীন চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না

জ্বালানি অস্থিরতায় স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

সরকার বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অধীনে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। বৈঠকটি অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব এই অনুমোদন পায়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এলএনজি দুই দফায় দেশে পৌঁছাবে—১০ম কার্গো সরবরাহ করা হবে ২৪–২৫ এপ্রিলের মাঝে এবং ১১তম কার্গো সরবরাহ করা হবে ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে। ক্রয়ের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার। প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এ কারণে স্পট মার্কেটে তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কেনা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সরবরাহ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১১ মার্চ ওই কমিটি তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়; তখন এক কার্গোর মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুই কার্গোর মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার আগের সপ্তাহেও দুই কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, যেখানে একটি কার্গোর দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার। এসব ক্রয় সরকারের তৎকালীন চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।