মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আহমেদ আজম খান জানিয়েছেন, ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ ও জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অনধিকৃতভাবে নাম ঢুকিয়ে যে সব ব্যক্তি সুবিধা নিয়েছেন, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে দেশের সামনে তুলে ধরা হবে। একই সাথে বিগত সরকারের আমলে বাদ পড়া ও হয়রানির শিকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টিও খোঁজখবর করে সমাধান করা হবে।
এ কথা তিনি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জানান। এ সময় সরকারের পক্ষে সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ও বিরোধীপক্ষের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম যে প্রশ্নগুলো উত্থাপন করেন, তার জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য দেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী বলেন, তারা যারা ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখিয়েছে, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং নিজেরাও নানা অবৈধ সুবিধা ভোগ করেছেন—এই সব অনিয়ম দমন করতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যে এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সংশ্লিষ্ট অনিয়মের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান জনগণের সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।
আহমেদ আজম খান আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করা হয়েছে, সনদ স্থগিত করা হয়েছে এবং অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। এসব অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে এসেছে এবং তা যাচাই-বাছাই করে সমাধান করা হবে।
মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের আশ্বস্ত করে জানান, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট করে তা জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। জনগণের আস্থা রক্ষা ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায্য হক ফিরিয়ে দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























