টানা চার দফা বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা।
এটি স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দর কমে যাওয়ার প্রভাবেই সমন্বয় আনা হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে গত ১ এপ্রিল ভালো মানের স্বর্ণের ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তার আগেও তিন দফায় দাম বাড়ার ফলে মোট চার দফায় একযোগে ১৩ হাজার ১২২ টাকা বেড়েছিল। চার দফার ওই বাড়ির পরে এ বার কিছুটা দাম কমানো হল।
অন্যান্য ক্যারেটের সমন্বয়ও করা হয়েছে: ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা। সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমানো হয়েছে, ফলে এর দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।
তুলনায়, ১ এপ্রিল থেকে বিক্রির হিসেবে ২২ ক্যারেট ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামেরও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপায় ১১৭ টাকা কমে দাম হয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। ১৮ ক্যারেট রুপার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরিতে ১১৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
বাজারে চাহিদা-প্রস্তাবের ওঠানামা ও স্থানীয় রপ্তানি-আয়াতের পরিস্থিতি যেভাবে পরিবর্তন হয়, তাতে স্বর্ণ-রুপার দরও সাময়িকভাবে ওঠানামা করে—এমনটাই বলছে ব্যবসায়ী সমাজ। বাজুস আশা করছে, প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরবে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























