নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ শেষ হতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হওয়ার সময় পাচ্ছে না বাংলাদেশ। বিসিবি জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ড সিরিজের শেষ ম্যাচ (২ মে) পর দিনই—৩ মে—দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে পৌঁছাবে পাকিস্তান। এই সিরিজটি ২০২৫-২০২৭ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় উভয় দলের জন্য পয়েন্ট সংগ্রহ অত্যন্ত জরুরি।
বিসিবির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ হবে ৮ মে মিরপুরের শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। প্রথম লড়াইের পর দলগুলো সিলেটে পাড়ি জমাবে এবং ১৬ মে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। দুই টেস্টেই ফলাফল পয়েন্ট টেবিলে সরাসরি প্রভাব ফেলবে, তাই দুই দলই লম্বা ফরম্যাটে নিজেদের কৌশল ও শক্তি উন্মোচনে তৎপর।
পাকিস্তান সিরিজ শেষ হওয়ার পর ক্রিকেটারদের ছুটির সময় খুব সীমিত থাকবে। জুনের শুরুতেই শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সাদা বলের একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দেশে আসবে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচের সূচি শুরু হবে ৯ জুন থেকে, এবং ওয়ানডে সিরিজের পর ১৭ জুন থেকে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে।つまり, মে ও জুন জুড়ে দেশের মাঠে দর্শকরা ঘন ঘন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট উপভোগ করতে পারবেন।
পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ইতিহাস মনে করালে, এ বছর মার্চেই তারা ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছিল এবং বাবর আজমের নেতৃত্বে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ গোলে জয়ী হয়েছিল। তবে টেস্ট ফরম্যাটে পাকিস্তানের পাল্টা কড়াকড়ি ভাব দেখা যায়; সর্বশেষ ২০২১ সালের নভেম্বরে তারা বাংলাদেশে এসে মুমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন টেস্ট দলকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল।
এবার নাজমুল হোসেন শান্তের নেতৃত্বে টাইগাররা ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে লাল বলের ক্রিকেটেও মাঠে ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আদায় করতে বদ্ধপরিকর। ভক্তরা অধীর আগ্রহে আশা করবে যে, এই ঘনস্পর্ধাপূর্ণ সূচিতে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিযোগিতা উপহার দিবে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























