০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পাওয়ার গ্রিডের বার্ষিক আয় বাড়ছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সঞ্চালন মাশুল বা ‘হুইলিং চার্জ’ বাড়ানোরফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য আয় বৃদ্ধির আশা করছে। কোম্পানিটি বৃহস্পতিবার একটি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) মাধ্যমে জানিয়েছে নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অবহিত করা হয়েছে।

পিজিসিবি জানিয়েছে তাদের আয়ের মূল উৎস হলো জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন এবং সেই সেবার বিনিময়ে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আদায় করা মাশুল। বিইআরসি গতকাল বুধবার (৩ জুন) পাইকারি ও খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন মূল্যও পুনর্নির্ধারণ করেছে; এই নতুন হারগুলো চলতি জুন থেকেই কার্যকর হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে যে, এ আনুমানিক আয় বৃদ্ধি জেনারেশন ও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদার ওপর নির্ভরশীল — উভয়ের ভারসাম্য না থাকলে তা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবে না-ও পরিণত হতে পারে।

নতুন ভর্তুকিহীন সরকারি হার অনুযায়ী বিভিন্ন ভোল্টেজ স্তরের জন্য সঞ্চালন চার্জে সমানভাবে বাড়তি পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্ধারিত নতুন হারগুলো হলো:

২৩0 কেভি লাইনের জন্য প্রতি ইউনিটে ০.৩০৫৭ টাকা থেকে ০.৩৭৮৯ টাকা,

১৩২ কেভি লাইনের জন্য ০.৩০৮৬ টাকা থেকে ০.৩৮২৫ টাকা,

৩৩ কেভি লাইনের জন্য ০.৩১৮৪ টাকা থেকে ০.৩৮৯৭ টাকা।

বিতরণ কোম্পানিগুলো জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নিলে এই বর্ধিত হারে পিজিসিবিকে অর্থ প্রদান করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঞ্চালন মাশুল বৃদ্ধির ফলে পাওয়ার গ্রিডের আর্থিক অবকাঠামো আরও মজবুত হবে, যা বড় ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রিড নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে বাজারে এ কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পিজিসিবি জানিয়েছে যে উৎপাদন ও চাহিদার ভারসাম্য, গ্রিড ব্যবহার এবং সীমাহীন অপারেশনাল খরচ এসবের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত আয় লক্ষ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আনুমানিক এই বৃদ্ধি বাস্তবে কতটা পূরণ হবে তা সময়ের সাথে নিশ্চিৎ হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পাওয়ার গ্রিডের বার্ষিক আয় বাড়ছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সঞ্চালন মাশুল বা ‘হুইলিং চার্জ’ বাড়ানোরফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য আয় বৃদ্ধির আশা করছে। কোম্পানিটি বৃহস্পতিবার একটি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) মাধ্যমে জানিয়েছে নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অবহিত করা হয়েছে।

পিজিসিবি জানিয়েছে তাদের আয়ের মূল উৎস হলো জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন এবং সেই সেবার বিনিময়ে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আদায় করা মাশুল। বিইআরসি গতকাল বুধবার (৩ জুন) পাইকারি ও খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন মূল্যও পুনর্নির্ধারণ করেছে; এই নতুন হারগুলো চলতি জুন থেকেই কার্যকর হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে যে, এ আনুমানিক আয় বৃদ্ধি জেনারেশন ও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদার ওপর নির্ভরশীল — উভয়ের ভারসাম্য না থাকলে তা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবে না-ও পরিণত হতে পারে।

নতুন ভর্তুকিহীন সরকারি হার অনুযায়ী বিভিন্ন ভোল্টেজ স্তরের জন্য সঞ্চালন চার্জে সমানভাবে বাড়তি পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্ধারিত নতুন হারগুলো হলো:

২৩0 কেভি লাইনের জন্য প্রতি ইউনিটে ০.৩০৫৭ টাকা থেকে ০.৩৭৮৯ টাকা,

১৩২ কেভি লাইনের জন্য ০.৩০৮৬ টাকা থেকে ০.৩৮২৫ টাকা,

৩৩ কেভি লাইনের জন্য ০.৩১৮৪ টাকা থেকে ০.৩৮৯৭ টাকা।

বিতরণ কোম্পানিগুলো জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বিদ্যুৎ নিলে এই বর্ধিত হারে পিজিসিবিকে অর্থ প্রদান করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঞ্চালন মাশুল বৃদ্ধির ফলে পাওয়ার গ্রিডের আর্থিক অবকাঠামো আরও মজবুত হবে, যা বড় ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রিড নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে বাজারে এ কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পিজিসিবি জানিয়েছে যে উৎপাদন ও চাহিদার ভারসাম্য, গ্রিড ব্যবহার এবং সীমাহীন অপারেশনাল খরচ এসবের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত আয় লক্ষ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আনুমানিক এই বৃদ্ধি বাস্তবে কতটা পূরণ হবে তা সময়ের সাথে নিশ্চিৎ হবে।