০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-সহ ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্জি: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলুন সিপিডি: প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন আয়ের ওপর করের বোঝা অনুপাতে বেশি বেড়েছে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ভাগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল অর্থনীতি ও কূটনীতিতে নতুন দ্বার খুলছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যে সংস্কার: চার বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ করবে সরকার

বিশ্ব সংগীত দিবসে বর্ণালী ও শ্রাবণের নজরুলগীতি ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ প্রকাশ

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় বর্ষা গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের জন্য পরিবেশন করেছেন শিল্পী বর্ণালী সরকার ও জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে গানটি অনলাইনে মুক্তি পায়, যেটি প্রকৃতির বর্ষা আবহকে ধরে রেখে তৈরি একটি বিশেষ প্রয়াস বলে শিল্পীরা মনে করেন।

ঋতুর আগমনের তাজা অনুভূতিকে সামনে রেখে এই সংগীতায়োজনে কণ্ঠের মাধুর্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে নির্মাতারা। বর্ণালী সরকারের মিষ্টি কণ্ঠের সঙ্গে সেতারের সূর ভুবন রচনা করেছেন জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ, যা গানের আবহকে একটি স্বচ্ছন্দ ও অনুরণিত রূপ দিয়েছে। রিদম ও তালের ভারসাম্য রাখতে পাখাওয়াজ ও তবলার দায়িত্বে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল, আর পিয়ানোতে সংযোজন করেছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর। অনুষঙ্গ হিসেবে মিশ্রণ ও মাস্টারিংয়ের কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ।

শিল্পীরা জানান, বিশ্ব সংগীত দিবস তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—বর্ষা যেমন প্রকৃতিকে নতুন করে জীবন্ত করে, তেমনই বর্ষার গান মানুষের মনে সতেজতা জাগায়। তাই গানটির মূল বাণী ও সুর অক্ষুণ্ণ রেখে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সূক্ষ্ম বিন্যাসে নতুন দৃষ্টি সংযোজন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে বর্ষার অনুভূতি আরও ঘন ও হৃদয়গ্রাহীভাবে পৌঁছায়।

তারা আশা করেন, নজরুলগীতি রীতিনীতিতে রেখে এই সমন্বিত আধুনিক-বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আয়োজনটি প্রবীণ শ্রোতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝেও সমাদৃত হবে। মুক্তির পর থেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। গানটি বর্ষার মাধুর্য ও নজরুলের সুরের timeless সৌন্দর্য নতুনভাবে অনুভব করাতে যাচ্ছেন বলে শিল্পীরা মনে করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত

বিশ্ব সংগীত দিবসে বর্ণালী ও শ্রাবণের নজরুলগীতি ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ প্রকাশ

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় বর্ষা গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের জন্য পরিবেশন করেছেন শিল্পী বর্ণালী সরকার ও জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে গানটি অনলাইনে মুক্তি পায়, যেটি প্রকৃতির বর্ষা আবহকে ধরে রেখে তৈরি একটি বিশেষ প্রয়াস বলে শিল্পীরা মনে করেন।

ঋতুর আগমনের তাজা অনুভূতিকে সামনে রেখে এই সংগীতায়োজনে কণ্ঠের মাধুর্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে নির্মাতারা। বর্ণালী সরকারের মিষ্টি কণ্ঠের সঙ্গে সেতারের সূর ভুবন রচনা করেছেন জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ, যা গানের আবহকে একটি স্বচ্ছন্দ ও অনুরণিত রূপ দিয়েছে। রিদম ও তালের ভারসাম্য রাখতে পাখাওয়াজ ও তবলার দায়িত্বে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল, আর পিয়ানোতে সংযোজন করেছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর। অনুষঙ্গ হিসেবে মিশ্রণ ও মাস্টারিংয়ের কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ।

শিল্পীরা জানান, বিশ্ব সংগীত দিবস তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—বর্ষা যেমন প্রকৃতিকে নতুন করে জীবন্ত করে, তেমনই বর্ষার গান মানুষের মনে সতেজতা জাগায়। তাই গানটির মূল বাণী ও সুর অক্ষুণ্ণ রেখে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সূক্ষ্ম বিন্যাসে নতুন দৃষ্টি সংযোজন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে বর্ষার অনুভূতি আরও ঘন ও হৃদয়গ্রাহীভাবে পৌঁছায়।

তারা আশা করেন, নজরুলগীতি রীতিনীতিতে রেখে এই সমন্বিত আধুনিক-বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আয়োজনটি প্রবীণ শ্রোতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝেও সমাদৃত হবে। মুক্তির পর থেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। গানটি বর্ষার মাধুর্য ও নজরুলের সুরের timeless সৌন্দর্য নতুনভাবে অনুভব করাতে যাচ্ছেন বলে শিল্পীরা মনে করছেন।