০৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকে চীনে পণ্য যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী এনআইডি নবায়ন ছবিসহ বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসির চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় পণ্য পৌঁছাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবি সহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছবি ও বায়োমেট্রিকসহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসিতে দোকান মালিক সমিতি: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিকে ভ্রমণে নিজের খরচ নিশ্চিত করতে হবে খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশকে ১.০১৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নির্বাচনী ব্যয় জমা না দেওয়ায় এনসিপিসহ ৭ দল ইসির শোকজ

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ সাতটি রাজনৈতিক দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিব মোনির হোসেনের সই করা পৃথক সাতটি চিঠি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে — গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এর ৪৪গ(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী।

কমিশন বলছে, প্রথমত ১৬ মার্চে চিঠি দিয়ে এই দলগুলোকে ১৩ মে’র মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিলের অনুরোধ করা হয়। আদেশ বহালে অমীমাংসিত থাকায় পরে ১৯ মে আবার সতর্কীকরণ নোটিশ পাঠিয়ে শেষ সময় বাড়িয়ে ১৩ জুনের মধ্যে হিসাব দাখিল করতে বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ওই দলগুলো কাগজপত্র জমা দেয়নি।

আরপিওর ৪৪গ(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে কমিশন প্রথমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করে সময়সীমা বাড়াতে পারেন। তবু যদি কোন দল তা দাখিল না করে, তাহলে তাদের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

শোকজে প্রত্যেক দলের কাছে জানাতে বলা হয়েছে, কেন তাদের ওপর ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ কিংবা ব্যয়ের হিসাব দাখিলের নির্দেশনা অনুপালন করলে আরো কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে না—এসব কারণ বর্ণনা করে অনতিবিলম্বে ইসির সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবকে লিখিত জবাব দিতে হবে।

ইসির শোকজ প্রাপ্ত সাতটি দল হলো: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং আমজনতার দল।

এখন নির্বাচন কমিশন দলের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন

নির্বাচনী ব্যয় জমা না দেওয়ায় এনসিপিসহ ৭ দল ইসির শোকজ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ সাতটি রাজনৈতিক দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিব মোনির হোসেনের সই করা পৃথক সাতটি চিঠি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে — গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এর ৪৪গ(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী।

কমিশন বলছে, প্রথমত ১৬ মার্চে চিঠি দিয়ে এই দলগুলোকে ১৩ মে’র মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিলের অনুরোধ করা হয়। আদেশ বহালে অমীমাংসিত থাকায় পরে ১৯ মে আবার সতর্কীকরণ নোটিশ পাঠিয়ে শেষ সময় বাড়িয়ে ১৩ জুনের মধ্যে হিসাব দাখিল করতে বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ওই দলগুলো কাগজপত্র জমা দেয়নি।

আরপিওর ৪৪গ(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে কমিশন প্রথমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করে সময়সীমা বাড়াতে পারেন। তবু যদি কোন দল তা দাখিল না করে, তাহলে তাদের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

শোকজে প্রত্যেক দলের কাছে জানাতে বলা হয়েছে, কেন তাদের ওপর ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ কিংবা ব্যয়ের হিসাব দাখিলের নির্দেশনা অনুপালন করলে আরো কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে না—এসব কারণ বর্ণনা করে অনতিবিলম্বে ইসির সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবকে লিখিত জবাব দিতে হবে।

ইসির শোকজ প্রাপ্ত সাতটি দল হলো: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং আমজনতার দল।

এখন নির্বাচন কমিশন দলের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।