০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকে চীনে পণ্য যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী এনআইডি নবায়ন ছবিসহ বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসির চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় পণ্য পৌঁছাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবি সহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছবি ও বায়োমেট্রিকসহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসিতে দোকান মালিক সমিতি: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিকে ভ্রমণে নিজের খরচ নিশ্চিত করতে হবে খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশকে ১.০১৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন

কঠোর নজরদারীর পরে মাদক চোরাচালান চক্রের কৌশল বদলে গেছে। ফেনসিডিল বা ইয়াবার মতো প্রচলিত মাদকের বদলে এখন কম দামি, সহজলভ্য ও ছদ্মবেশী সিরাপ এবং উচ্চমাত্রার ব্যথানাশক ট্যাবলেট ফিরোজিরূপে বাজারে ঢুকে পড়ছে। এই নতুন স্ট্র্যাটেজি সীমান্ত পার করে দেশের গ্রামীণ পথ ও অরক্ষিত পয়েন্টগুলো ব্যবহার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন রুট দিয়ে প্রবেশ করছে—সমস্ত মিলিয়ে অন্তত 27টি চ্যানেল কাজে লিপ্ত বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। পাশাপাশি মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও ভারত সীমান্ত থেকে ‘পুশইন’—এসব ঘটনাও এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চিন্তার বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে ‘স্মার্ট সীমান্ত’ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু চক্রগুলোও পিছে পড়ে নেই।

নতুন রূপের মাদক: সিন্ডিকেটগুলো এখন প্রেসক্রিপশন ওষুধের আড়ালে সিরাপ ও ট্যাবলেট আনার চেষ্টা করছে। ভারত থেকে ছদ্মবেশে আনা এসব সিরাপ—যেমন এস্কাফ, ফেয়ারডিল, চকোপ্লাস—তে উচ্চমাত্রার কোডিন ফসফেট রয়েছে এবং নেশার তীব্রতা অনেক ক্ষেত্রেই ফেনসিডিলের সমতুল্য বলা হচ্ছে। অন্যদিকে ট্যাপেন্টাডল নামের শক্তিশালী ব্যথানাশক ট্যাবলেটকে মাদকসেবীরা হ্যালুসিনেশন ও জোরদার নেশার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক ধ্বংস: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন এসব সিরাপ ও ট্যাবলেট সেবনের ফলে লিভার ও কিডনির স্থায়ী ক্ষতি, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের দুর্বলতা এবং স্মৃতি, মনোযোগ ও বুদ্ধিমত্তার দ্রুত হ্রাস হয়ে যাচ্ছে। ফলত রেখে যাচ্ছেন অসংখ্য অযোগ্য, পরিবার-নির্ভর অভিভাবে পড়ে থাকা যুবসমাজ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক উত্তর প্রান্তের স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিক্ষার্থীদের আচরণ ও পড়াশোনায় নীরব অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের চেয়ে এখনকার পদ্ধতিতে অভিভাবকরা সমস্যা বুঝে উঠতেই পারছেন না—সিরাপের আড়ালে সন্তানরা ধীরে ধীরে নেশার জালে পড়ে যাচ্ছে।

কোথা থেকে আসছে ও কীটিপ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে: তদন্তে দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিস্তীর্ণ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অন্তত 27টি পয়েন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। সীমান্তরক্ষীরা বলছেন, কাঁটাতারহীন বা কম রক্ষাদণ্ডিত ইউনিয়নভিত্তিক মুহূর্তগুলোর পাশেই কারবারিরা এসব পয়েন্ট বেছে নিচ্ছে—রাতের আঁধারে পৌঁছে দ্রুত হাতবদল করে, ক্যারিয়ার পরিবর্তন করে মাদক পরিবহিত করা হয়।

উল্লেখযোগ্য সীমান্ত পয়েন্টগুলোর মধ্যে আছে—চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহজাহানপুর (হাকিমপুর, দুর্লভপুর), আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি ও বকচর, চরবাগডাঙ্গার বাখের আলী; শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুরের কিরণগঞ্জ, কালীগঞ্জ, জমিনপুর; শাহবাজপুর ইউনিয়নের শ্মশানঘাট, আজমতপুর, উনিশবিঘী; মনাকষা ইউনিয়নের শিংনগর; পাঁকা ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর; তেলকুপি, চকপাড়া, শিয়ালমারা ও দাইপুকুরিয়ার সোনামসজিদ-বালিয়াদিঘী পয়েন্ট। এছাড়া ভোলাহাট, গোহালবাড়ী ও গোমস্তাপুরের কয়েকটি ইউনিয়নও ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিজিবির অভিযান ও উদ্ধার পরিসংখ্যান: নতুন ধরণের মাদক রুখতে বিজিবি সীমান্ত এলাকা জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে 59 বিজিবি রেকর্ড করেছেন 12,249 বোতল ফেনসিডিলের বিকল্প সিরাপ উদ্ধার এবং একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় 51,774 পিস ট্যাবলেট জব্দ। 53 বিজিবি গত জুনে 1 জন আসামিসহ 1,161 বোতল এস্কাফ সিরাপ, 187 বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও 40 পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। 16 বিজিবি সর্বশেষ অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ রেকর্ড 30,700 পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধারকৃত এসব মাদক প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সচেতন সমাজ ও আইনি ব্যবস্থা জরুরি: সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান এই নতুন ট্রেন্ডকে দেশের জন্য বড় বিপদের সংকেত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলছেন, শুধু সীমান্তে টহল বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; মাদক চোরাচালানের পিছনের বড় গডফাদারদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নগদ অর্থ-দেবদারবহির্ভূত লেনদেন বন্ধ করতে হবে।

বিজিবি যে কড়া নীতি গ্রহণ করেছে: চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন কমান্ডাররা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করবেন এবং অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করবেন। তাদের দাবি, সরকারি উদ্যোগ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণ সমন্বিতভাবে না করলে এই সমস্যা কড়া ভাবে কমানো যাবে না।

সম্বলিত পদক্ষেপের আহ্বান: সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা, ওষুধ-বিতরণ চেইনে কঠোর তদারকি, গরিষ্ঠ সিন্ডিকেট ও অর্থপ্রবাহ বন্ধ করা এবং স্থানীয় স্তরে সচেতনতা কর্মসূচি চালানো—এসবকে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে নতুন প্রজন্মের ক্ষতি প্রকট আকারে বাড়বে। সীমান্তে নজরদারি এবং গ্রামীণ রুটগুলোর উপর নিয়মিত অভিযান চলমান থাকলেও সমাজ ও প্রশাসনকে একযোগে কাজ করে সমস্যা root level-এ থাকতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন

সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেও ছড়াচ্ছে নতুন রকমের মাদক: সিরাপ ও ট্যাবলেটে তরুণ সমাজ বিপন্ন

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কঠোর নজরদারীর পরে মাদক চোরাচালান চক্রের কৌশল বদলে গেছে। ফেনসিডিল বা ইয়াবার মতো প্রচলিত মাদকের বদলে এখন কম দামি, সহজলভ্য ও ছদ্মবেশী সিরাপ এবং উচ্চমাত্রার ব্যথানাশক ট্যাবলেট ফিরোজিরূপে বাজারে ঢুকে পড়ছে। এই নতুন স্ট্র্যাটেজি সীমান্ত পার করে দেশের গ্রামীণ পথ ও অরক্ষিত পয়েন্টগুলো ব্যবহার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন রুট দিয়ে প্রবেশ করছে—সমস্ত মিলিয়ে অন্তত 27টি চ্যানেল কাজে লিপ্ত বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। পাশাপাশি মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও ভারত সীমান্ত থেকে ‘পুশইন’—এসব ঘটনাও এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চিন্তার বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে ‘স্মার্ট সীমান্ত’ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু চক্রগুলোও পিছে পড়ে নেই।

নতুন রূপের মাদক: সিন্ডিকেটগুলো এখন প্রেসক্রিপশন ওষুধের আড়ালে সিরাপ ও ট্যাবলেট আনার চেষ্টা করছে। ভারত থেকে ছদ্মবেশে আনা এসব সিরাপ—যেমন এস্কাফ, ফেয়ারডিল, চকোপ্লাস—তে উচ্চমাত্রার কোডিন ফসফেট রয়েছে এবং নেশার তীব্রতা অনেক ক্ষেত্রেই ফেনসিডিলের সমতুল্য বলা হচ্ছে। অন্যদিকে ট্যাপেন্টাডল নামের শক্তিশালী ব্যথানাশক ট্যাবলেটকে মাদকসেবীরা হ্যালুসিনেশন ও জোরদার নেশার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক ধ্বংস: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন এসব সিরাপ ও ট্যাবলেট সেবনের ফলে লিভার ও কিডনির স্থায়ী ক্ষতি, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের দুর্বলতা এবং স্মৃতি, মনোযোগ ও বুদ্ধিমত্তার দ্রুত হ্রাস হয়ে যাচ্ছে। ফলত রেখে যাচ্ছেন অসংখ্য অযোগ্য, পরিবার-নির্ভর অভিভাবে পড়ে থাকা যুবসমাজ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক উত্তর প্রান্তের স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিক্ষার্থীদের আচরণ ও পড়াশোনায় নীরব অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের চেয়ে এখনকার পদ্ধতিতে অভিভাবকরা সমস্যা বুঝে উঠতেই পারছেন না—সিরাপের আড়ালে সন্তানরা ধীরে ধীরে নেশার জালে পড়ে যাচ্ছে।

কোথা থেকে আসছে ও কীটিপ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে: তদন্তে দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিস্তীর্ণ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অন্তত 27টি পয়েন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। সীমান্তরক্ষীরা বলছেন, কাঁটাতারহীন বা কম রক্ষাদণ্ডিত ইউনিয়নভিত্তিক মুহূর্তগুলোর পাশেই কারবারিরা এসব পয়েন্ট বেছে নিচ্ছে—রাতের আঁধারে পৌঁছে দ্রুত হাতবদল করে, ক্যারিয়ার পরিবর্তন করে মাদক পরিবহিত করা হয়।

উল্লেখযোগ্য সীমান্ত পয়েন্টগুলোর মধ্যে আছে—চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহজাহানপুর (হাকিমপুর, দুর্লভপুর), আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি ও বকচর, চরবাগডাঙ্গার বাখের আলী; শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুরের কিরণগঞ্জ, কালীগঞ্জ, জমিনপুর; শাহবাজপুর ইউনিয়নের শ্মশানঘাট, আজমতপুর, উনিশবিঘী; মনাকষা ইউনিয়নের শিংনগর; পাঁকা ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর; তেলকুপি, চকপাড়া, শিয়ালমারা ও দাইপুকুরিয়ার সোনামসজিদ-বালিয়াদিঘী পয়েন্ট। এছাড়া ভোলাহাট, গোহালবাড়ী ও গোমস্তাপুরের কয়েকটি ইউনিয়নও ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিজিবির অভিযান ও উদ্ধার পরিসংখ্যান: নতুন ধরণের মাদক রুখতে বিজিবি সীমান্ত এলাকা জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে 59 বিজিবি রেকর্ড করেছেন 12,249 বোতল ফেনসিডিলের বিকল্প সিরাপ উদ্ধার এবং একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় 51,774 পিস ট্যাবলেট জব্দ। 53 বিজিবি গত জুনে 1 জন আসামিসহ 1,161 বোতল এস্কাফ সিরাপ, 187 বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও 40 পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। 16 বিজিবি সর্বশেষ অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ রেকর্ড 30,700 পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধারকৃত এসব মাদক প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সচেতন সমাজ ও আইনি ব্যবস্থা জরুরি: সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান এই নতুন ট্রেন্ডকে দেশের জন্য বড় বিপদের সংকেত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলছেন, শুধু সীমান্তে টহল বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; মাদক চোরাচালানের পিছনের বড় গডফাদারদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নগদ অর্থ-দেবদারবহির্ভূত লেনদেন বন্ধ করতে হবে।

বিজিবি যে কড়া নীতি গ্রহণ করেছে: চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন কমান্ডাররা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করবেন এবং অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করবেন। তাদের দাবি, সরকারি উদ্যোগ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণ সমন্বিতভাবে না করলে এই সমস্যা কড়া ভাবে কমানো যাবে না।

সম্বলিত পদক্ষেপের আহ্বান: সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা, ওষুধ-বিতরণ চেইনে কঠোর তদারকি, গরিষ্ঠ সিন্ডিকেট ও অর্থপ্রবাহ বন্ধ করা এবং স্থানীয় স্তরে সচেতনতা কর্মসূচি চালানো—এসবকে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে নতুন প্রজন্মের ক্ষতি প্রকট আকারে বাড়বে। সীমান্তে নজরদারি এবং গ্রামীণ রুটগুলোর উপর নিয়মিত অভিযান চলমান থাকলেও সমাজ ও প্রশাসনকে একযোগে কাজ করে সমস্যা root level-এ থাকতে হবে।