০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।