১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।