০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।