০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বিশেষ বিশ্লেষণ: ৪২ হাজার ৬১৮ ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে সারাদেশের জন্য একটি খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে মোট ৪২ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমাদের কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী আজ আমরা এই ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা সম্পর্কে একটি আপডেট দিয়েছি। সরকারের বিভিন্ন অঞ্চলের ভিত্তিতে মোট ৬৪ জেলায়, ৩০০ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা এখন ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ২০১। এই সংখ্যাগুলোর ভিত্তিতে গড়ে প্রতি ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে মোট ৪২ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্র প্রস্তাব করা হয়েছে।

সচিব আরও জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৬০০ পুরুষ ভোটার জন্য একটি ও ৫০০ মহিলার জন্য একটি করে ভোটকক্ষ রাখা হবে। এভাবে হিসাব করে পুরুষ ভোটকক্ষের সংখ্যা হবে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৯টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ১০৭টি। সব মিলিয়ে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি।

অতীতে, গত দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন যেখানে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ১৫০টি এবং ভোটকক্ষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪৭২। এবার কেন্দ্রীকরণের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও, ভোটকক্ষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।

আখতার আহমেদ জানান, এই খসড়া তালিকা নিয়ে সাধারণ জনগণ, রাজনৈতিক দল ও সংস্থাগুলি ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপত্তি বা দাবী জানাতে পারবে। এই দাবিগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে ১২ অক্টোবর। পরবর্তীতে, ২০ অক্টোবর শেষবারের মতো চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বিশেষ বিশ্লেষণ: ৪২ হাজার ৬১৮ ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে সারাদেশের জন্য একটি খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে মোট ৪২ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমাদের কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী আজ আমরা এই ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা সম্পর্কে একটি আপডেট দিয়েছি। সরকারের বিভিন্ন অঞ্চলের ভিত্তিতে মোট ৬৪ জেলায়, ৩০০ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা এখন ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ২০১। এই সংখ্যাগুলোর ভিত্তিতে গড়ে প্রতি ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে মোট ৪২ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্র প্রস্তাব করা হয়েছে।

সচিব আরও জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৬০০ পুরুষ ভোটার জন্য একটি ও ৫০০ মহিলার জন্য একটি করে ভোটকক্ষ রাখা হবে। এভাবে হিসাব করে পুরুষ ভোটকক্ষের সংখ্যা হবে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৯টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ১০৭টি। সব মিলিয়ে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি।

অতীতে, গত দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন যেখানে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ১৫০টি এবং ভোটকক্ষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪৭২। এবার কেন্দ্রীকরণের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও, ভোটকক্ষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।

আখতার আহমেদ জানান, এই খসড়া তালিকা নিয়ে সাধারণ জনগণ, রাজনৈতিক দল ও সংস্থাগুলি ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপত্তি বা দাবী জানাতে পারবে। এই দাবিগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে ১২ অক্টোবর। পরবর্তীতে, ২০ অক্টোবর শেষবারের মতো চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।