০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি আসছেন

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি শুক্রবার বাংলাদেশে এসেছেন, যা সিঙ্গাপুরের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির উদ্যোগে দুই দিনের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি ঢাকায় এসে জুলকান ইনডোর এরিনায় বাংলাদেশি বক্সারদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান ইনডোর এরিনার সুবিধা খুবই উন্নত এবং বিশ্বমানের। আমি মুগ্ধ এর সুযোগ-সুবিধা দেখে; এমন আধুনিক সুবিধা আমার দেশের ক্লাবেও খুব কম পাওয়া যায়। বিশ্বে অন্য দেশের তুলনায় এই ক্লাব একদম উপরে রয়েছে। অনেক দেশেই এই ধরনের বক্সিং সুবিধা নেই। মানসম্পন্ন বক্সার তৈরি করতে হলে সব দিক থেকে উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ, ভবিষ্যতে এটি আরও এগিয়ে যাবে।”

উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর প্রশিক্ষক এঞ্জেলো ডান্ডির অধীনে অনুশীলন করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” আশাবাদী উদ্যোক্তারাও, বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করেন।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো বক্সিংকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন করতে চাই।”

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের এই উদ্যোগের কারণে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা ব্যাপক উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি আসছেন

প্রকাশিতঃ ১০:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি শুক্রবার বাংলাদেশে এসেছেন, যা সিঙ্গাপুরের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির উদ্যোগে দুই দিনের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি ঢাকায় এসে জুলকান ইনডোর এরিনায় বাংলাদেশি বক্সারদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান ইনডোর এরিনার সুবিধা খুবই উন্নত এবং বিশ্বমানের। আমি মুগ্ধ এর সুযোগ-সুবিধা দেখে; এমন আধুনিক সুবিধা আমার দেশের ক্লাবেও খুব কম পাওয়া যায়। বিশ্বে অন্য দেশের তুলনায় এই ক্লাব একদম উপরে রয়েছে। অনেক দেশেই এই ধরনের বক্সিং সুবিধা নেই। মানসম্পন্ন বক্সার তৈরি করতে হলে সব দিক থেকে উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ, ভবিষ্যতে এটি আরও এগিয়ে যাবে।”

উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর প্রশিক্ষক এঞ্জেলো ডান্ডির অধীনে অনুশীলন করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” আশাবাদী উদ্যোক্তারাও, বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করেন।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো বক্সিংকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন করতে চাই।”

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের এই উদ্যোগের কারণে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা ব্যাপক উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।