০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি আসছেন

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি শুক্রবার বাংলাদেশে এসেছেন, যা সিঙ্গাপুরের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির উদ্যোগে দুই দিনের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি ঢাকায় এসে জুলকান ইনডোর এরিনায় বাংলাদেশি বক্সারদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান ইনডোর এরিনার সুবিধা খুবই উন্নত এবং বিশ্বমানের। আমি মুগ্ধ এর সুযোগ-সুবিধা দেখে; এমন আধুনিক সুবিধা আমার দেশের ক্লাবেও খুব কম পাওয়া যায়। বিশ্বে অন্য দেশের তুলনায় এই ক্লাব একদম উপরে রয়েছে। অনেক দেশেই এই ধরনের বক্সিং সুবিধা নেই। মানসম্পন্ন বক্সার তৈরি করতে হলে সব দিক থেকে উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ, ভবিষ্যতে এটি আরও এগিয়ে যাবে।”

উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর প্রশিক্ষক এঞ্জেলো ডান্ডির অধীনে অনুশীলন করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” আশাবাদী উদ্যোক্তারাও, বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করেন।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো বক্সিংকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন করতে চাই।”

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের এই উদ্যোগের কারণে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা ব্যাপক উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি আসছেন

প্রকাশিতঃ ১০:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি শুক্রবার বাংলাদেশে এসেছেন, যা সিঙ্গাপুরের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির উদ্যোগে দুই দিনের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি ঢাকায় এসে জুলকান ইনডোর এরিনায় বাংলাদেশি বক্সারদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান ইনডোর এরিনার সুবিধা খুবই উন্নত এবং বিশ্বমানের। আমি মুগ্ধ এর সুযোগ-সুবিধা দেখে; এমন আধুনিক সুবিধা আমার দেশের ক্লাবেও খুব কম পাওয়া যায়। বিশ্বে অন্য দেশের তুলনায় এই ক্লাব একদম উপরে রয়েছে। অনেক দেশেই এই ধরনের বক্সিং সুবিধা নেই। মানসম্পন্ন বক্সার তৈরি করতে হলে সব দিক থেকে উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ, ভবিষ্যতে এটি আরও এগিয়ে যাবে।”

উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর প্রশিক্ষক এঞ্জেলো ডান্ডির অধীনে অনুশীলন করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” আশাবাদী উদ্যোক্তারাও, বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করেন।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো বক্সিংকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন করতে চাই।”

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের এই উদ্যোগের কারণে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা ব্যাপক উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।