১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

কেশবপুরে সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ, জনতার ব্যাহত ভেঙে দিল

যশোরের কেশবপুরে একদল দুর্বৃত্তের অবৈধ ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করেই একজন ব্যক্তি সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জনগণের সোচ্চার প্রতিবাদ ও যৌথ উদ্যোগে অবশেষে ঐ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলেন তারা। এই ঘটনার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার দাপটে সড়কের উপর অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর পৌরসভার প্রশাসক তাকে নোটিশ পাঠ করেছিলেন, বাধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু তিনি তার কাজ চালিয়ে যান। অবৈধ নির্মাণকাজ চলাকালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজের নেতৃত্বে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করানোর নির্দেশ দেন। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে অবৈধ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলা হয়। জানা যায়, রবিউল ইসলাম সম্প্রতি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও আলিয়া মাদ্রাসার পাশে এক সমৃদ্ধ বাড়ি কিনে, সেটির সামনে সড়কের জমি দখল করে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। সেখানে মডার্ন ক্লিনিকের মালিক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে, এবং তিনি গত ১২ বছরে বিভিন্ন অবৈধ উপায় অবলম্বন করে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অর্জন করেছেন। স্থানীয় সূত্র মতে, তার এই সম্পদ স্রেফ অবৈধ পথের মাধ্যমে অর্জিত। রবিউল ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি নোটিশ পাওয়ার পরও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে কাজ চালিয়ে গেছেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনতার ঐক্যবদ্ধ অভিযানের ফলে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—এই ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে রবিউল ইসলাম কয়েক বছরে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা বলেন, তার এই কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে স্থানীয় ক্ষমতাশালী এক নেতার ছত্রছায়া। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. শরীফ নেওয়াজ বলেন, জনৈক রবিউল ইসলাম সড়কের জমি দখল করে অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণ করছিল। বেশ কয়েকবার নোটিশ দেয়ার পরও তিনি কাজ চালিয়ে যান। অবশেষে, জনগণের সহযোগিতায় এই অবৈধ কাজ ভেঙে ফেলা হয়, যাতে সড়কের সদৃশ অবৈধ দখলদারিত্ব ঠেকানো যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

কেশবপুরে সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ, জনতার ব্যাহত ভেঙে দিল

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের কেশবপুরে একদল দুর্বৃত্তের অবৈধ ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করেই একজন ব্যক্তি সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জনগণের সোচ্চার প্রতিবাদ ও যৌথ উদ্যোগে অবশেষে ঐ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলেন তারা। এই ঘটনার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার দাপটে সড়কের উপর অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর পৌরসভার প্রশাসক তাকে নোটিশ পাঠ করেছিলেন, বাধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু তিনি তার কাজ চালিয়ে যান। অবৈধ নির্মাণকাজ চলাকালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজের নেতৃত্বে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করানোর নির্দেশ দেন। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে অবৈধ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলা হয়। জানা যায়, রবিউল ইসলাম সম্প্রতি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও আলিয়া মাদ্রাসার পাশে এক সমৃদ্ধ বাড়ি কিনে, সেটির সামনে সড়কের জমি দখল করে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। সেখানে মডার্ন ক্লিনিকের মালিক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে, এবং তিনি গত ১২ বছরে বিভিন্ন অবৈধ উপায় অবলম্বন করে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অর্জন করেছেন। স্থানীয় সূত্র মতে, তার এই সম্পদ স্রেফ অবৈধ পথের মাধ্যমে অর্জিত। রবিউল ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি নোটিশ পাওয়ার পরও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে কাজ চালিয়ে গেছেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনতার ঐক্যবদ্ধ অভিযানের ফলে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—এই ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে রবিউল ইসলাম কয়েক বছরে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা বলেন, তার এই কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে স্থানীয় ক্ষমতাশালী এক নেতার ছত্রছায়া। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. শরীফ নেওয়াজ বলেন, জনৈক রবিউল ইসলাম সড়কের জমি দখল করে অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণ করছিল। বেশ কয়েকবার নোটিশ দেয়ার পরও তিনি কাজ চালিয়ে যান। অবশেষে, জনগণের সহযোগিতায় এই অবৈধ কাজ ভেঙে ফেলা হয়, যাতে সড়কের সদৃশ অবৈধ দখলদারিত্ব ঠেকানো যায়।