১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কেশবপুরে সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ, জনতার ব্যাহত ভেঙে দিল

যশোরের কেশবপুরে একদল দুর্বৃত্তের অবৈধ ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করেই একজন ব্যক্তি সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জনগণের সোচ্চার প্রতিবাদ ও যৌথ উদ্যোগে অবশেষে ঐ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলেন তারা। এই ঘটনার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার দাপটে সড়কের উপর অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর পৌরসভার প্রশাসক তাকে নোটিশ পাঠ করেছিলেন, বাধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু তিনি তার কাজ চালিয়ে যান। অবৈধ নির্মাণকাজ চলাকালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজের নেতৃত্বে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করানোর নির্দেশ দেন। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে অবৈধ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলা হয়। জানা যায়, রবিউল ইসলাম সম্প্রতি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও আলিয়া মাদ্রাসার পাশে এক সমৃদ্ধ বাড়ি কিনে, সেটির সামনে সড়কের জমি দখল করে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। সেখানে মডার্ন ক্লিনিকের মালিক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে, এবং তিনি গত ১২ বছরে বিভিন্ন অবৈধ উপায় অবলম্বন করে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অর্জন করেছেন। স্থানীয় সূত্র মতে, তার এই সম্পদ স্রেফ অবৈধ পথের মাধ্যমে অর্জিত। রবিউল ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি নোটিশ পাওয়ার পরও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে কাজ চালিয়ে গেছেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনতার ঐক্যবদ্ধ অভিযানের ফলে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—এই ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে রবিউল ইসলাম কয়েক বছরে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা বলেন, তার এই কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে স্থানীয় ক্ষমতাশালী এক নেতার ছত্রছায়া। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. শরীফ নেওয়াজ বলেন, জনৈক রবিউল ইসলাম সড়কের জমি দখল করে অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণ করছিল। বেশ কয়েকবার নোটিশ দেয়ার পরও তিনি কাজ চালিয়ে যান। অবশেষে, জনগণের সহযোগিতায় এই অবৈধ কাজ ভেঙে ফেলা হয়, যাতে সড়কের সদৃশ অবৈধ দখলদারিত্ব ঠেকানো যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

কেশবপুরে সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ, জনতার ব্যাহত ভেঙে দিল

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের কেশবপুরে একদল দুর্বৃত্তের অবৈধ ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করেই একজন ব্যক্তি সড়কের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জনগণের সোচ্চার প্রতিবাদ ও যৌথ উদ্যোগে অবশেষে ঐ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলেন তারা। এই ঘটনার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতার দাপটে সড়কের উপর অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর পৌরসভার প্রশাসক তাকে নোটিশ পাঠ করেছিলেন, বাধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু তিনি তার কাজ চালিয়ে যান। অবৈধ নির্মাণকাজ চলাকালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজের নেতৃত্বে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করানোর নির্দেশ দেন। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে অবৈধ প্রাচীরটি ভেঙে ফেলা হয়। জানা যায়, রবিউল ইসলাম সম্প্রতি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও আলিয়া মাদ্রাসার পাশে এক সমৃদ্ধ বাড়ি কিনে, সেটির সামনে সড়কের জমি দখল করে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। সেখানে মডার্ন ক্লিনিকের মালিক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে, এবং তিনি গত ১২ বছরে বিভিন্ন অবৈধ উপায় অবলম্বন করে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অর্জন করেছেন। স্থানীয় সূত্র মতে, তার এই সম্পদ স্রেফ অবৈধ পথের মাধ্যমে অর্জিত। রবিউল ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি নোটিশ পাওয়ার পরও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে কাজ চালিয়ে গেছেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনতার ঐক্যবদ্ধ অভিযানের ফলে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ ও ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—এই ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে রবিউল ইসলাম কয়েক বছরে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা বলেন, তার এই কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে স্থানীয় ক্ষমতাশালী এক নেতার ছত্রছায়া। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. শরীফ নেওয়াজ বলেন, জনৈক রবিউল ইসলাম সড়কের জমি দখল করে অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণ করছিল। বেশ কয়েকবার নোটিশ দেয়ার পরও তিনি কাজ চালিয়ে যান। অবশেষে, জনগণের সহযোগিতায় এই অবৈধ কাজ ভেঙে ফেলা হয়, যাতে সড়কের সদৃশ অবৈধ দখলদারিত্ব ঠেকানো যায়।