০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।