০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।