০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।