০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

সরিষাবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বৃষ্টি বা নদীর পানি বাড়লেই খাল-বিল, নদী-নালায় শুরু হয় মাছ ধরা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং অবৈধ কারেন্ট জালের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির কারণে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম মাছ ধরার উপকরণগুলো বিবর্ণ হতে আর বেশি দেরি নেই। এসব পণ্য হলো বাঁশ ও বেতের তৈরি ডারকি, চাঁই, পলো ও আনতা, যা এত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের জীবিকার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না এসব মাছ ধরা সরঞ্জাম। অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে তার দাম, ফলে অনেক কারিগর তাদের কারিগরি স্থবির হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নদীতে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা মৎস্য অফিসের চোখে এ বিষয়টি ধরা পড়লেও, অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায় এসব অবৈধ কার্যকলাপ। গ্রামীন কারিগররা হতাশা প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, তাদের এই ব্যবসার ঐতিহ্য ও পর্যাপ্ত সমর্থন না পেলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে।