০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

হলান্ডের গোলের গোপন রহস্য উন্মোচন

আর্লিং হলান্ড এবং গোল যেন এখন পরিপূর্ণ সমার্থক। মাঠে নামা এবং গোল করা যেন তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চলতি মৌসুমে তিনি কেবল ক্লাবের জন্য নয়, জাতীয় দলের জন্যও অসাধারণ পারফরমেন্স দেখিয়ে চলেছেন। এখন পর্যন্ত ১৪টি ম্যাচে তিনি ২৪ গোল করেছেন, যা তাকে অপ্রতিরোধ্য এক প্রতিপক্ষ করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে, টানা ১২ ম্যাচে গোল করে তিনি ফুটবল মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডের সাথে সমান দিক দিয়েছেন।

সম্প্রতি, এই অসাধারণ গোলসংখ্যার মূল রহস্য উন্মোচন করেছেন হলান্ড। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শরীরের নমনীয়তা, কাঁচা দুধ ও স্টেকের নিয়মিত सेवनই তাঁর গোল করার মূল চাবিকাঠি। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এখন একটি অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল চালু করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর সাফল্যের পেছনের কারণগুলো শেয়ার করছেন। প্রথম ভিডিওতেই তিনি তাঁর সাধারণ দিনের অভিজ্ঞতা। সেই ভিডিও ২৭ মিনিটের, যেখানে সকাল থেকে তিনি নাশতা তৈরি, রেড লাইট থেরাপি ও ফিজিওথেরাপি, অনুশীলন, এবং রাতে নিজের খাবার প্রস্তুত পর্যন্ত সব দেখানো হয়েছে।

ভিডিওতে হলান্ড বলেন, “প্রকৃতিগতভাবেই আমার কোমর ও কুঁচকি বেশ নমনীয়, যা ধরে রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নয়তো আমি কিভাবে গোল করব?” তিনি পা তুলে কিছু অ্যাক্রোবেটিক গোলের ভঙ্গি দেখিয়ে বলেন, “পাগলাটে গোল করতে হলে শরীরের নমনীয়তা থাকতে হবে। এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।”

এছাড়াও, অনুশীলনে যাওয়ার পথে স্থানীয় এক ফার্মশপে থামিয়ে কাঁচা দুধ ও স্টেক কিনেছেন, যা দেখায় তার রান্নার প্রতি চুম্বক আকর্ষণ। এই চ্যানেলটি হলান্ডের ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি, যা সরাসরি তাঁর ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত নয়। তিনি বলেন, “মানুষ সাধারণত ম্যাচ, গোল, উদযাপন দেখেই রহস্য বুঝতে পারেন। কিন্তু গোলের পেছনে কাজের দীর্ঘ সময়টুকু কেউ দেখেন না। মাঠের বাইরেও আমি কি করি, সেটুকুও অনেকে জানেন না। আমি চাই মানুষ এই দিকটাও দেখতে পারুক।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

হলান্ডের গোলের গোপন রহস্য উন্মোচন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আর্লিং হলান্ড এবং গোল যেন এখন পরিপূর্ণ সমার্থক। মাঠে নামা এবং গোল করা যেন তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চলতি মৌসুমে তিনি কেবল ক্লাবের জন্য নয়, জাতীয় দলের জন্যও অসাধারণ পারফরমেন্স দেখিয়ে চলেছেন। এখন পর্যন্ত ১৪টি ম্যাচে তিনি ২৪ গোল করেছেন, যা তাকে অপ্রতিরোধ্য এক প্রতিপক্ষ করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে, টানা ১২ ম্যাচে গোল করে তিনি ফুটবল মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডের সাথে সমান দিক দিয়েছেন।

সম্প্রতি, এই অসাধারণ গোলসংখ্যার মূল রহস্য উন্মোচন করেছেন হলান্ড। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শরীরের নমনীয়তা, কাঁচা দুধ ও স্টেকের নিয়মিত सेवनই তাঁর গোল করার মূল চাবিকাঠি। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এখন একটি অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল চালু করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর সাফল্যের পেছনের কারণগুলো শেয়ার করছেন। প্রথম ভিডিওতেই তিনি তাঁর সাধারণ দিনের অভিজ্ঞতা। সেই ভিডিও ২৭ মিনিটের, যেখানে সকাল থেকে তিনি নাশতা তৈরি, রেড লাইট থেরাপি ও ফিজিওথেরাপি, অনুশীলন, এবং রাতে নিজের খাবার প্রস্তুত পর্যন্ত সব দেখানো হয়েছে।

ভিডিওতে হলান্ড বলেন, “প্রকৃতিগতভাবেই আমার কোমর ও কুঁচকি বেশ নমনীয়, যা ধরে রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নয়তো আমি কিভাবে গোল করব?” তিনি পা তুলে কিছু অ্যাক্রোবেটিক গোলের ভঙ্গি দেখিয়ে বলেন, “পাগলাটে গোল করতে হলে শরীরের নমনীয়তা থাকতে হবে। এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।”

এছাড়াও, অনুশীলনে যাওয়ার পথে স্থানীয় এক ফার্মশপে থামিয়ে কাঁচা দুধ ও স্টেক কিনেছেন, যা দেখায় তার রান্নার প্রতি চুম্বক আকর্ষণ। এই চ্যানেলটি হলান্ডের ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি, যা সরাসরি তাঁর ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত নয়। তিনি বলেন, “মানুষ সাধারণত ম্যাচ, গোল, উদযাপন দেখেই রহস্য বুঝতে পারেন। কিন্তু গোলের পেছনে কাজের দীর্ঘ সময়টুকু কেউ দেখেন না। মাঠের বাইরেও আমি কি করি, সেটুকুও অনেকে জানেন না। আমি চাই মানুষ এই দিকটাও দেখতে পারুক।”