১০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

সাবেক এমপিদের বিলাসবহুল ৩১ গাড়ি নিলামে বিক্রি হলো না

শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বিদেশ থেকে আমদানি করা সাবেক সংসদ সদস্যদের (এমপি) ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে বিভিন্ন কারণের কারণে এগুলো বিক্রি সম্ভব হয়নি, ফলে সেগুলো এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত বুধবার (১২ নভেম্বর) এনবিআর এই বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা কাদে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ দাঁড়াইছে ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চমূল্যের এই গাড়িগুলোর এককপ্রতি শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, এসব গাড়ির শুল্ক-কর যথাযথভাবে পরিশোধের জন্য আমদানিকারকরা এখনও গাড়িগুলো খালাস করেননি। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এসব গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু, নিলামকারীরা বিভিন্ন বিড করার পরও কোনো যৌক্তিক মূল্যায়নের জন্য দরপত্র দাখিল করেননি, ফলে গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে জনস্বার্থে এই মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারি ব্যবহারে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শস্ত্র আবেদনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা প্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো আইনি পদ্ধতিতে খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্ধারিত শুল্কায়নমূল্য ও সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও আদেশ মেনে সেই সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে, যদি সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলো শুল্ক-কর আদায়ের পর খালাস করা হয় এবং সেই গাড়িগুলো আমদানিকারকের একান্ত ইচ্ছায় ব্যবহারে আসে, তবে এটি সরকারিকরণের পরিহার করে আবার কাস্টমসের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সাবেক এমপিদের বিলাসবহুল ৩১ গাড়ি নিলামে বিক্রি হলো না

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বিদেশ থেকে আমদানি করা সাবেক সংসদ সদস্যদের (এমপি) ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে বিভিন্ন কারণের কারণে এগুলো বিক্রি সম্ভব হয়নি, ফলে সেগুলো এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত বুধবার (১২ নভেম্বর) এনবিআর এই বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা কাদে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ দাঁড়াইছে ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চমূল্যের এই গাড়িগুলোর এককপ্রতি শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, এসব গাড়ির শুল্ক-কর যথাযথভাবে পরিশোধের জন্য আমদানিকারকরা এখনও গাড়িগুলো খালাস করেননি। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এসব গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু, নিলামকারীরা বিভিন্ন বিড করার পরও কোনো যৌক্তিক মূল্যায়নের জন্য দরপত্র দাখিল করেননি, ফলে গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে জনস্বার্থে এই মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারি ব্যবহারে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শস্ত্র আবেদনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা প্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো আইনি পদ্ধতিতে খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্ধারিত শুল্কায়নমূল্য ও সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও আদেশ মেনে সেই সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে, যদি সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলো শুল্ক-কর আদায়ের পর খালাস করা হয় এবং সেই গাড়িগুলো আমদানিকারকের একান্ত ইচ্ছায় ব্যবহারে আসে, তবে এটি সরকারিকরণের পরিহার করে আবার কাস্টমসের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।