০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সাবেক এমপিদের বিলাসবহুল ৩১ গাড়ি নিলামে বিক্রি হলো না

শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বিদেশ থেকে আমদানি করা সাবেক সংসদ সদস্যদের (এমপি) ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে বিভিন্ন কারণের কারণে এগুলো বিক্রি সম্ভব হয়নি, ফলে সেগুলো এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত বুধবার (১২ নভেম্বর) এনবিআর এই বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা কাদে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ দাঁড়াইছে ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চমূল্যের এই গাড়িগুলোর এককপ্রতি শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, এসব গাড়ির শুল্ক-কর যথাযথভাবে পরিশোধের জন্য আমদানিকারকরা এখনও গাড়িগুলো খালাস করেননি। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এসব গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু, নিলামকারীরা বিভিন্ন বিড করার পরও কোনো যৌক্তিক মূল্যায়নের জন্য দরপত্র দাখিল করেননি, ফলে গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে জনস্বার্থে এই মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারি ব্যবহারে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শস্ত্র আবেদনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা প্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো আইনি পদ্ধতিতে খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্ধারিত শুল্কায়নমূল্য ও সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও আদেশ মেনে সেই সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে, যদি সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলো শুল্ক-কর আদায়ের পর খালাস করা হয় এবং সেই গাড়িগুলো আমদানিকারকের একান্ত ইচ্ছায় ব্যবহারে আসে, তবে এটি সরকারিকরণের পরিহার করে আবার কাস্টমসের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সাবেক এমপিদের বিলাসবহুল ৩১ গাড়ি নিলামে বিক্রি হলো না

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বিদেশ থেকে আমদানি করা সাবেক সংসদ সদস্যদের (এমপি) ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে বিভিন্ন কারণের কারণে এগুলো বিক্রি সম্ভব হয়নি, ফলে সেগুলো এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত বুধবার (১২ নভেম্বর) এনবিআর এই বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা কাদে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক ও করের পরিমাণ দাঁড়াইছে ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চমূল্যের এই গাড়িগুলোর এককপ্রতি শুল্ক-কর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, এসব গাড়ির শুল্ক-কর যথাযথভাবে পরিশোধের জন্য আমদানিকারকরা এখনও গাড়িগুলো খালাস করেননি। ফলে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী, এসব গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু, নিলামকারীরা বিভিন্ন বিড করার পরও কোনো যৌক্তিক মূল্যায়নের জন্য দরপত্র দাখিল করেননি, ফলে গাড়িগুলো বিক্রি হয়নি। এর ফলে জনস্বার্থে এই মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারি ব্যবহারে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শস্ত্র আবেদনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকরা প্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো আইনি পদ্ধতিতে খালাস করতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্ধারিত শুল্কায়নমূল্য ও সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও আদেশ মেনে সেই সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে, যদি সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলো শুল্ক-কর আদায়ের পর খালাস করা হয় এবং সেই গাড়িগুলো আমদানিকারকের একান্ত ইচ্ছায় ব্যবহারে আসে, তবে এটি সরকারিকরণের পরিহার করে আবার কাস্টমসের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।