০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নিউ জিল্যান্ডের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের তালিকা

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা শতাব্দীপ্রাচীন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহের কারণে এই ধরনের লিগের জনপ্রিয়তা দিনে দিন বেড়েই চলেছে। আইপিএলের মতো বড় লিগগুলো অনুকরণ করে বেশ কিছু দেশই এখন নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করছে।

তবে এত দিন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড এই রথ থেকে পিছিয়ে ছিল। এবার সেটিই পাল্টাতে যাচ্ছে। কিউই ক্রিকেট বোর্ড পরিকল্পনা করছে ২০২৭ সাল থেকে নিজেদের দেশের জন্য একটি টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর, যা ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) মডেলে হবে।

বর্তমানে নিউ জিল্যান্ডে একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে এই লিগটির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে, কারণ এখানে আন্তর্জাতিক তারকা খেলোয়াড় নেই এবং দর্শকদের আকর্ষণও কম। এতে লিগের গুরুত্ব কমে যাওয়ায়, দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। এনজেড-২০ প্রকল্পের প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেছেন, এখন সময় একান্ত প্রয়োজন ভিন্নভাবে ভাবার।

তিনি অ্যাসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সফলতার জন্য নিউজিল্যান্ডকে নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গড়ে তুলতে হবে। এই লিগটি সিপিএলের মতো মডেলে পরিচালিত হতে পারে। এতে লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি)-র কাছে, তবে পরিচালনা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনও এই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি। তবে অনুমোদন পেলে, এই নতুন লিগটি সুপার স্ম্যাশের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন। ২০১৪ সালে হয়তো বোর্ড এই ধরনের প্রস্তাব নাকচ করেছিল, কারণ তখন মনে করা হচ্ছিল, আইপিএল বা বিগ ব্যাশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কঠিন হবে।

ম্যাককিনন বিশ্বাস করেন, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরি করার সময় এসেছে। কিংবদন্তি জন স্টিফেন ফ্লেমিংসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ক্রিকেটাররা এখন ব্যক্তিগত মালিকানাধীন লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে টুর্নামেন্টটি শুরু হতে পারে। এই প্রকল্পের প্রধান সম্প্রতি বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সবচেয়ে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘর্ষ না হয়। কারণ দেশের বেশির ভাগ কিউই ক্রিকেটার এসব লিগে নিয়মিত খেলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নিউ জিল্যান্ডের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের তালিকা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা শতাব্দীপ্রাচীন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহের কারণে এই ধরনের লিগের জনপ্রিয়তা দিনে দিন বেড়েই চলেছে। আইপিএলের মতো বড় লিগগুলো অনুকরণ করে বেশ কিছু দেশই এখন নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করছে।

তবে এত দিন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড এই রথ থেকে পিছিয়ে ছিল। এবার সেটিই পাল্টাতে যাচ্ছে। কিউই ক্রিকেট বোর্ড পরিকল্পনা করছে ২০২৭ সাল থেকে নিজেদের দেশের জন্য একটি টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর, যা ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) মডেলে হবে।

বর্তমানে নিউ জিল্যান্ডে একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে এই লিগটির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে, কারণ এখানে আন্তর্জাতিক তারকা খেলোয়াড় নেই এবং দর্শকদের আকর্ষণও কম। এতে লিগের গুরুত্ব কমে যাওয়ায়, দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। এনজেড-২০ প্রকল্পের প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেছেন, এখন সময় একান্ত প্রয়োজন ভিন্নভাবে ভাবার।

তিনি অ্যাসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সফলতার জন্য নিউজিল্যান্ডকে নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গড়ে তুলতে হবে। এই লিগটি সিপিএলের মতো মডেলে পরিচালিত হতে পারে। এতে লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি)-র কাছে, তবে পরিচালনা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনও এই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি। তবে অনুমোদন পেলে, এই নতুন লিগটি সুপার স্ম্যাশের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন। ২০১৪ সালে হয়তো বোর্ড এই ধরনের প্রস্তাব নাকচ করেছিল, কারণ তখন মনে করা হচ্ছিল, আইপিএল বা বিগ ব্যাশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কঠিন হবে।

ম্যাককিনন বিশ্বাস করেন, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরি করার সময় এসেছে। কিংবদন্তি জন স্টিফেন ফ্লেমিংসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ক্রিকেটাররা এখন ব্যক্তিগত মালিকানাধীন লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে টুর্নামেন্টটি শুরু হতে পারে। এই প্রকল্পের প্রধান সম্প্রতি বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সবচেয়ে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘর্ষ না হয়। কারণ দেশের বেশির ভাগ কিউই ক্রিকেটার এসব লিগে নিয়মিত খেলেন।