১০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ফরিদপুরে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ গ্রন্থের প্রকাশনা ও উৎসব

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি এক সম্মানজনক ও উৎসাহজনক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার শতবর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ নামের একটি বিশেষ গ্রন্থ এবং এর মোরক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

এই বিশেষ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কবি, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ। তিনি গ্রন্থের গুরুত্ব ও বাংলার সাহিত্য জগতে এর অবদানকে সম্মান জানান।

সভাপতির আসনে ছিলেন ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, এবং সঞ্চালক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. এ. সামাদ, স্বাধীন চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান, ডক্টর কাকলী মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক আব্দুল হালিম ও অন্যান্যগুণী ব্যক্তি।

গ্রন্থের সম্পাদক ড. মোহাম্মদ আলী খান বলেন, কলকাতা থেকে ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘কবর’ কবিতা, যা পরে স্কুলের পাঠ্যাভাসে সংযোজন হয়। এই কবিতাটির ইতিহাস বাংলার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছে, তরুণ-তরুণীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। এটি এক কাল্পনিক but চিরন্তন কবিতা, যা আজও পাঠকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং আবৃত্তি অনুষ্ঠানে মুখরিত করে।

শত বছর পার হলেও, ‘কবর’ কবিতার মহিমা আজও অম্লান, যা সমসাময়িক পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এই শতবর্ষে এসে প্রত্যেকের কাছে এই কবিতা এক প্রিয় ও প্রেরণাদায়ক ধন হয়ে উঠেছে, যা প্রতিবার স্পর্শ করে অন্তরের গভীরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ফরিদপুরে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ গ্রন্থের প্রকাশনা ও উৎসব

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি এক সম্মানজনক ও উৎসাহজনক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার শতবর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ নামের একটি বিশেষ গ্রন্থ এবং এর মোরক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

এই বিশেষ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কবি, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ। তিনি গ্রন্থের গুরুত্ব ও বাংলার সাহিত্য জগতে এর অবদানকে সম্মান জানান।

সভাপতির আসনে ছিলেন ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, এবং সঞ্চালক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. এ. সামাদ, স্বাধীন চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান, ডক্টর কাকলী মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক আব্দুল হালিম ও অন্যান্যগুণী ব্যক্তি।

গ্রন্থের সম্পাদক ড. মোহাম্মদ আলী খান বলেন, কলকাতা থেকে ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘কবর’ কবিতা, যা পরে স্কুলের পাঠ্যাভাসে সংযোজন হয়। এই কবিতাটির ইতিহাস বাংলার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছে, তরুণ-তরুণীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। এটি এক কাল্পনিক but চিরন্তন কবিতা, যা আজও পাঠকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং আবৃত্তি অনুষ্ঠানে মুখরিত করে।

শত বছর পার হলেও, ‘কবর’ কবিতার মহিমা আজও অম্লান, যা সমসাময়িক পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এই শতবর্ষে এসে প্রত্যেকের কাছে এই কবিতা এক প্রিয় ও প্রেরণাদায়ক ধন হয়ে উঠেছে, যা প্রতিবার স্পর্শ করে অন্তরের গভীরে।