০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।