০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।