০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।