০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মামদানির শপথ ১ জানুয়ারি, পাশে থাকবেন স্যান্ডার্স

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে আগামী ১ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন জোহরান মামদানী। এর মাধ্যমে তিনি সিটি প্রশাসনের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি শুরু থেকেই মামদানির রাজনৈতিক যাত্রায় তার অটুট সমর্থন ও পাশে ছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে স্যান্ডার্সকে একসঙ্গে দেখা যাবে মামদানির সঙ্গে, যেখানে তারা গর্বের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের স্থানটি এখনো গোপন রাখা হয়েছে, তবে ধারণা করা হচ্ছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে এটি হবে। এই গণশপথ অনুষ্ঠানটি মূলত একটি বৃহৎ সমাগমের পরিকল্পনা, যেখানে আশেপাশের প্রায় ৪০ হাজার সমর্থক উপস্থিত থাকার আশা করা হচ্ছে। তবে সেই দিনের এক দিন আগে, অর্থাৎ উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের প্রায় ১৩ ঘণ্টা আগে, একটি ঘরোয়া ও নিরাপদ পরিবেশে মামদানির শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এই অনুষ্ঠানটি হবে এমন এক স্থান where বিস্তারিত জানা যায়নি। ক্রিসমাস বা নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে, মধ্যরাতের দিকে, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশা জেমসের উপস্থিতিতে মামদানিকে সংবিধান ও স্থানীয় আইনসমূহের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে দেখা যাবে। তিনি নিশ্চিত করবেন যে, তিনি সংবিধান ও নিউইয়র্কের সনদসমূহের প্রতি সবসময় বিশ্বস্ত থাকবেন ও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এই দিনের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, তিনি যদি শপথ ভাষণে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পান, তবে সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবনতির বিষয়টি তুলে ধরবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আজকের সরকার শ্রমজীবী মানুষদের জন্য আদর্শ নয়, বরং তারা প্রধানত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। স্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘জোহরানের উপর এখন এক কঠিন দায়িত্ব এসে পড়েছে। তিনি প্রমাণ করেন যে, সরকার কেবল ধনী শ্রেণির জন্যই নয়, শ্রমজীবী পরিবারের স্বার্থে কাজ করতে পারে।’ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে মামদানিকে সমর্থনে উজ্জীবিত করতে এখন থেকেই রাজনৈতিক জায়গায় সক্রিয়তা বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মামদানির শপথ ১ জানুয়ারি, পাশে থাকবেন স্যান্ডার্স

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে আগামী ১ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন জোহরান মামদানী। এর মাধ্যমে তিনি সিটি প্রশাসনের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি শুরু থেকেই মামদানির রাজনৈতিক যাত্রায় তার অটুট সমর্থন ও পাশে ছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে স্যান্ডার্সকে একসঙ্গে দেখা যাবে মামদানির সঙ্গে, যেখানে তারা গর্বের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের স্থানটি এখনো গোপন রাখা হয়েছে, তবে ধারণা করা হচ্ছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে এটি হবে। এই গণশপথ অনুষ্ঠানটি মূলত একটি বৃহৎ সমাগমের পরিকল্পনা, যেখানে আশেপাশের প্রায় ৪০ হাজার সমর্থক উপস্থিত থাকার আশা করা হচ্ছে। তবে সেই দিনের এক দিন আগে, অর্থাৎ উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের প্রায় ১৩ ঘণ্টা আগে, একটি ঘরোয়া ও নিরাপদ পরিবেশে মামদানির শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এই অনুষ্ঠানটি হবে এমন এক স্থান where বিস্তারিত জানা যায়নি। ক্রিসমাস বা নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে, মধ্যরাতের দিকে, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশা জেমসের উপস্থিতিতে মামদানিকে সংবিধান ও স্থানীয় আইনসমূহের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে দেখা যাবে। তিনি নিশ্চিত করবেন যে, তিনি সংবিধান ও নিউইয়র্কের সনদসমূহের প্রতি সবসময় বিশ্বস্ত থাকবেন ও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এই দিনের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, তিনি যদি শপথ ভাষণে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পান, তবে সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবনতির বিষয়টি তুলে ধরবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আজকের সরকার শ্রমজীবী মানুষদের জন্য আদর্শ নয়, বরং তারা প্রধানত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। স্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘জোহরানের উপর এখন এক কঠিন দায়িত্ব এসে পড়েছে। তিনি প্রমাণ করেন যে, সরকার কেবল ধনী শ্রেণির জন্যই নয়, শ্রমজীবী পরিবারের স্বার্থে কাজ করতে পারে।’ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে মামদানিকে সমর্থনে উজ্জীবিত করতে এখন থেকেই রাজনৈতিক জায়গায় সক্রিয়তা বাড়ছে।