১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

শত্রুর কাছে নত হবো না, ট্রাম্পের হুমকির জবাবে খামেনি

ইরানে চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে বার বার বেড়ে গেছে অসন্তোষ ও বিক্ষোভ। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটির শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কঠোরভাবে এ ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরান কখনোই কোনো বিদেশি শক্তির চাপের কাছে নত হবে না। শনিবার এক বিশেষ ভাষণে তিনি বলেছিলেন, যদি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে এবং বাজারে অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সাধারণ বিক্ষোভকারীদের জোরালো সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, তাদের দাবি বৈধ হলেও যারা সহিংসতা ও দাঙ্গা ছড়াচ্ছে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। খামেনি পরিষ্কার করে উল্লেখ করেছেন, বৈধ দাবি নিয়ে যারা প্রতিবাদ করছে, তাদের কথা শোনা হবে, কিন্তু দাঙ্গাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি খুবই সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের কারণে দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপকভাবে পতনে পড়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের কষ্টে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে খামেনি নিজেও স্বীকার করেছেন যে, দেশের অর্থনীতির অবনতি চলমান রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে—মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করছে, এখন পর্যন্ত ১০ জনের বেশি প্রাণ গেছে, তবে সরকার This content was truncated to meet the size limit. If you need the full continuation, please let me know. আরেকটি উল্লেখ্য বিষয় হলো, কুর্দি মানবাধিকার সংস্থা ‘হেংগাও’ জানাচ্ছে, নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ধরপাকড় ও গ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছে যা আগের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশেষ করে, এই পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সশস্ত্র আঘাত বা হত্যা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি তাদের উদ্ধার করতে প্রস্তুত। এই হুমকির কারণে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মানসিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ট্রাম্প তার কোন বিষয়িত বা স্পেসিফিক পরিকল্পনা ব্যক্ত করেননি, তবে তার হুমকি কঠোর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যা তেহরানকে আরও রক্ষণশীল ও কঠোর হবে এমন দিকে ধাবিত করছে।

অর্থনৈতিকভাবে, নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি এখন গভীর সংকটে পড়েছে। মুদ্রার দরপতন এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে রোজাকর্পেনের জন্য পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিষেবা সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলোতে বিক্ষোভকারীরা একে অপরকে রাজপথে নামার আহ্বান জানাচ্ছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই খামেনি কঠোর অবস্থান নিয়ে এমন বার্তা দেন যে, দেশটি অভ্যন্তরীণ ও বাইরের চাপ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত। বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই কঠোরতা এবং মার্কিন হুমকি দেশটিকে এক নতুন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

শত্রুর কাছে নত হবো না, ট্রাম্পের হুমকির জবাবে খামেনি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে বার বার বেড়ে গেছে অসন্তোষ ও বিক্ষোভ। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটির শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কঠোরভাবে এ ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরান কখনোই কোনো বিদেশি শক্তির চাপের কাছে নত হবে না। শনিবার এক বিশেষ ভাষণে তিনি বলেছিলেন, যদি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে এবং বাজারে অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সাধারণ বিক্ষোভকারীদের জোরালো সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, তাদের দাবি বৈধ হলেও যারা সহিংসতা ও দাঙ্গা ছড়াচ্ছে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। খামেনি পরিষ্কার করে উল্লেখ করেছেন, বৈধ দাবি নিয়ে যারা প্রতিবাদ করছে, তাদের কথা শোনা হবে, কিন্তু দাঙ্গাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি খুবই সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের কারণে দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপকভাবে পতনে পড়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের কষ্টে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে খামেনি নিজেও স্বীকার করেছেন যে, দেশের অর্থনীতির অবনতি চলমান রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে—মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করছে, এখন পর্যন্ত ১০ জনের বেশি প্রাণ গেছে, তবে সরকার This content was truncated to meet the size limit. If you need the full continuation, please let me know. আরেকটি উল্লেখ্য বিষয় হলো, কুর্দি মানবাধিকার সংস্থা ‘হেংগাও’ জানাচ্ছে, নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ধরপাকড় ও গ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছে যা আগের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশেষ করে, এই পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সশস্ত্র আঘাত বা হত্যা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি তাদের উদ্ধার করতে প্রস্তুত। এই হুমকির কারণে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মানসিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ট্রাম্প তার কোন বিষয়িত বা স্পেসিফিক পরিকল্পনা ব্যক্ত করেননি, তবে তার হুমকি কঠোর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যা তেহরানকে আরও রক্ষণশীল ও কঠোর হবে এমন দিকে ধাবিত করছে।

অর্থনৈতিকভাবে, নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি এখন গভীর সংকটে পড়েছে। মুদ্রার দরপতন এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে রোজাকর্পেনের জন্য পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিষেবা সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলোতে বিক্ষোভকারীরা একে অপরকে রাজপথে নামার আহ্বান জানাচ্ছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই খামেনি কঠোর অবস্থান নিয়ে এমন বার্তা দেন যে, দেশটি অভ্যন্তরীণ ও বাইরের চাপ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত। বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই কঠোরতা এবং মার্কিন হুমকি দেশটিকে এক নতুন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।