০৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এনবিআর এর মোবাইল শুল্ক কমানোর ঘোষণা: ৬০ শতাংশ ছাড়

দেশের বাজারে মোবাইল ফোনের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন ঘোষণার অনুযায়ী, মোবাইল ফোন আমদানি ক্ষেত্রে কাস্টমস অক্ষের হার ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, আন্তর্জাতিক মোবাইল আমদানির ওপর আগের তুলনায় শুল্কের হার প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি মূল্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সংস্থার ধারণা, ফলে মোবাইল ফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসবে। পাশাপাশি, স্থানীয় মোবাইল উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যেও এই সিদ্ধান্তে সুরক্ষার আঙ্গুল উঠেছে। বিদেশ থেকে আসা মোবাইল ফোনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, মোবাইলের যন্ত্রাংশ এবং উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও শুল্কের হার কমানো হয়েছে। যারা দেশে মোবাইল সংযোজন করেন তাদের জন্য কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই দুটি নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দেশের প্রযুক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষণমূলক তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্ক হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বস্তি আসবে। উদাহরণস্বরূপ, উচ্চ মূল্যমানের বিদেশি স্মার্টফোন ৩০ হাজার টাকা হলে এর দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়াও, দেশে সংযোজিত বা উৎপাদিত ফোনের দামও গড়ে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে। সরকারের আশা, এই শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে বাজারে বিভিন্ন ধরণের মোবাইলের দামের হ্রাস আরও ব্যাপকভাবে ঘটবে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সহজে স্মার্টফোন কিনতে পারবে। মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি পণ্যগুলো আরও সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া, যাতে দেশের জনগণ উপকৃত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

এনবিআর এর মোবাইল শুল্ক কমানোর ঘোষণা: ৬০ শতাংশ ছাড়

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে মোবাইল ফোনের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন ঘোষণার অনুযায়ী, মোবাইল ফোন আমদানি ক্ষেত্রে কাস্টমস অক্ষের হার ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, আন্তর্জাতিক মোবাইল আমদানির ওপর আগের তুলনায় শুল্কের হার প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি মূল্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সংস্থার ধারণা, ফলে মোবাইল ফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসবে। পাশাপাশি, স্থানীয় মোবাইল উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যেও এই সিদ্ধান্তে সুরক্ষার আঙ্গুল উঠেছে। বিদেশ থেকে আসা মোবাইল ফোনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, মোবাইলের যন্ত্রাংশ এবং উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও শুল্কের হার কমানো হয়েছে। যারা দেশে মোবাইল সংযোজন করেন তাদের জন্য কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই দুটি নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দেশের প্রযুক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষণমূলক তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্ক হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বস্তি আসবে। উদাহরণস্বরূপ, উচ্চ মূল্যমানের বিদেশি স্মার্টফোন ৩০ হাজার টাকা হলে এর দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়াও, দেশে সংযোজিত বা উৎপাদিত ফোনের দামও গড়ে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে। সরকারের আশা, এই শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে বাজারে বিভিন্ন ধরণের মোবাইলের দামের হ্রাস আরও ব্যাপকভাবে ঘটবে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সহজে স্মার্টফোন কিনতে পারবে। মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি পণ্যগুলো আরও সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া, যাতে দেশের জনগণ উপকৃত হয়।