০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।