০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।