০১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য্যে সোনালি ট্রফি ঢাকায়: সরাসরি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক সোনালি ট্রফি এখন ঢাকায় উপস্থিত। আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ফিফার ট্রফি ট্যুরের একযুগে অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় এই মহামূল্যবান ট্রফিটি পৌঁছেছে। ঢাকায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফির শুভ সূচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার উপস্থিত ছিলেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের এক মুহূর্তে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।

বিমানবন্দরে ট্রফির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর, আবারো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ট্রফিটি স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বিভিন্ন ফুটবল নেতৃবৃন্দের জন্য এই ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার অসাধারণ সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ফিফার গ্লোবাল স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা এই দুর্লভ ট্রফির সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করবেন। উল্লেখ্য, কোকাকোলা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বজুড়ে এই ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি চতুর্থবারের মতো যে বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায় এসেছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার, ২০১৩ সালে, এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সময়ে এই ট্রফি ঢাকায় উপস্থিত হয়। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ট্রফির আগমন সব সময়ই এক মহৎ উৎসবের উপলক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও আয়োজনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি, তবে ট্রফির আশপাশে ফুটবল প্রেমীদের উৎসাহ ও উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত।