০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।