০৯:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ভারতের আপত্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশへの অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিমা খাতে দরবৃদ্ধি টেনে সূচক বাড়ল, লেনদেনে মন্দাভাব

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক সামান্য উর্ধ্বগতি দেখায়। বাজারে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যাওয়া সত্ত্বেও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর অতর্কিত দরবৃদ্ধিই সূচককে ওপরে টেনে নেয়। তবুও মোট লেনদেন আগের দিনের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর পরিসংখ্যান বলছে, দিনের শুরু থেকেই বিমা কোম্পানির শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ ছিল এবং তা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। দিনের শেষে ৪১টি বিমা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে যায়, যেখানে ১৬টির দর কমেছিল। সামগ্রিকভাবে ডিএসইতে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও ১৮৬টির দরপতন ঘটে এবং ৫৫টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলশ্রুতিতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক দুটোই ১ পয়েন্ট করে বাড়ে।

তবে দামর বাড়ার পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও লেনদেনে সংকোচন দেখা যায়। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন ছিল ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিলেন ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, আরডি ফুড ও মুন্নু সিরামিক। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কেনাবেচা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চিত্রটা ভিন্ন ছিল। সেখানে সার্বিক সূচক কাস্পিআই ১৩ পয়েন্ট নেমে আসে। বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দাম কমে এবং ৯৫টির দাম বাড়ে। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বাড়িয়ে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌঁছায়।

সংক্ষেপে বলা যায়, বিমা খাতে ক্রেতাদের ঝোঁকই ডিএসইর লাগাম টেনে ধরে সূচক বাড়ায়—তবে বাজারে অংশগ্রহণের গতি কমে যাওয়ায় মোট লেনদেন মন্থর লাগে। বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট খাতের তীব্র লেনদেনের দিকে নজর দিলেও বিস্তৃত বাজারে ক্রমহ্রাস ধারণা বাড়ায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন

বিমা খাতে দরবৃদ্ধি টেনে সূচক বাড়ল, লেনদেনে মন্দাভাব

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক সামান্য উর্ধ্বগতি দেখায়। বাজারে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যাওয়া সত্ত্বেও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর অতর্কিত দরবৃদ্ধিই সূচককে ওপরে টেনে নেয়। তবুও মোট লেনদেন আগের দিনের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর পরিসংখ্যান বলছে, দিনের শুরু থেকেই বিমা কোম্পানির শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ ছিল এবং তা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। দিনের শেষে ৪১টি বিমা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে যায়, যেখানে ১৬টির দর কমেছিল। সামগ্রিকভাবে ডিএসইতে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও ১৮৬টির দরপতন ঘটে এবং ৫৫টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলশ্রুতিতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক দুটোই ১ পয়েন্ট করে বাড়ে।

তবে দামর বাড়ার পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও লেনদেনে সংকোচন দেখা যায়। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন ছিল ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিলেন ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, আরডি ফুড ও মুন্নু সিরামিক। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কেনাবেচা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চিত্রটা ভিন্ন ছিল। সেখানে সার্বিক সূচক কাস্পিআই ১৩ পয়েন্ট নেমে আসে। বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দাম কমে এবং ৯৫টির দাম বাড়ে। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বাড়িয়ে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌঁছায়।

সংক্ষেপে বলা যায়, বিমা খাতে ক্রেতাদের ঝোঁকই ডিএসইর লাগাম টেনে ধরে সূচক বাড়ায়—তবে বাজারে অংশগ্রহণের গতি কমে যাওয়ায় মোট লেনদেন মন্থর লাগে। বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট খাতের তীব্র লেনদেনের দিকে নজর দিলেও বিস্তৃত বাজারে ক্রমহ্রাস ধারণা বাড়ায়।