০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ছাত্রশিবিরের সাদিক ভিপি, ফরহাদ জিএস ও মহিউদ্দীন এজিএস নির্বাচিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিজয়ের শিরোপা অর্জন করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী। নির্বাচনে নতুন সহসভাপতি (ভিপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মহিউদ্দীন খান সফলতার সাথে বিজয় লাভ করেছেন।

বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার সমপ্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩৩৮৯ ভোট, আর শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩৮৮৪ ভোট।

জিএস পদে ছাত্রশিবিরের এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার পরের স্থান অধিকার করেছেন ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম, যিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু (৪৯৪৯ ভোট), গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আবু বাকের মজুমদার (২১৩১ ভোট), আশিকুর (৫২৬ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাদী ভূঁইয়া (৪৬ ভোট)।

এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মহিউদ্দীন খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট, যা তাকে নির্বাচিত করে। অন্য প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬০৪ ভোট।

ভোটগ্রহণ শেষ হয় সোমবার বিকেল ৪টায়, তারপর থেকে সারারাত ধরে চলে গণনা। রাতের মধ্যে বিভিন্ন হল থেকে ফলাফল প্রকাশিত হতে শুরু করে। তবে কিছু গ্রুপ কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়, যেখানে ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান ও স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ছাত্রশিবিরের সাদিক ভিপি, ফরহাদ জিএস ও মহিউদ্দীন এজিএস নির্বাচিত

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিজয়ের শিরোপা অর্জন করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী। নির্বাচনে নতুন সহসভাপতি (ভিপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মহিউদ্দীন খান সফলতার সাথে বিজয় লাভ করেছেন।

বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার সমপ্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩৩৮৯ ভোট, আর শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩৮৮৪ ভোট।

জিএস পদে ছাত্রশিবিরের এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার পরের স্থান অধিকার করেছেন ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম, যিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু (৪৯৪৯ ভোট), গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আবু বাকের মজুমদার (২১৩১ ভোট), আশিকুর (৫২৬ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাদী ভূঁইয়া (৪৬ ভোট)।

এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মহিউদ্দীন খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট, যা তাকে নির্বাচিত করে। অন্য প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬০৪ ভোট।

ভোটগ্রহণ শেষ হয় সোমবার বিকেল ৪টায়, তারপর থেকে সারারাত ধরে চলে গণনা। রাতের মধ্যে বিভিন্ন হল থেকে ফলাফল প্রকাশিত হতে শুরু করে। তবে কিছু গ্রুপ কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়, যেখানে ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান ও স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানান।