০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৬ হাজার ৯০৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।

বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে, আর নতুন মূল্য আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে, ফলে স্বর্ণের জনপ্রিয়তা এবং মোট মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ১১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫ টাকা, ৯৪ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতিভরি মূল্য ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের এক ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকা।

এছাড়াও, বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অবশ্যই যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান ভেদে এই মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।

বিশ্ববাজারে বুধবার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪,০০০ ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ইত্যাদি কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়িয়ে চলেছেন, যার ফলস্বরূপ এর দাম এরই মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ব্যাংকের বিশ্লেষক টেলর নাগেন্ট বলেছেন, এই দ্রুত মূল্য বৃদ্ধির পেছনে এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) এ বিনিয়োগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়, এবং চীনের শক্তিশালী চাহিদা প্রধান কারণ। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতি স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি করেছে।

এদিকে, স্বর্ণবাজারে ব্যস্ততার সময়েও এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলো তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। এশিয়ার অনেক দেশেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও, এআই-ভিত্তিক প্রবৃদ্ধি অনেক তথ্য ও কোম্পানিকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৬ হাজার ৯০৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।

বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে, আর নতুন মূল্য আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে, ফলে স্বর্ণের জনপ্রিয়তা এবং মোট মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ১১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫ টাকা, ৯৪ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতিভরি মূল্য ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের এক ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকা।

এছাড়াও, বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অবশ্যই যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান ভেদে এই মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।

বিশ্ববাজারে বুধবার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪,০০০ ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ইত্যাদি কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়িয়ে চলেছেন, যার ফলস্বরূপ এর দাম এরই মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ব্যাংকের বিশ্লেষক টেলর নাগেন্ট বলেছেন, এই দ্রুত মূল্য বৃদ্ধির পেছনে এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) এ বিনিয়োগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়, এবং চীনের শক্তিশালী চাহিদা প্রধান কারণ। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতি স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি করেছে।

এদিকে, স্বর্ণবাজারে ব্যস্ততার সময়েও এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলো তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। এশিয়ার অনেক দেশেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও, এআই-ভিত্তিক প্রবৃদ্ধি অনেক তথ্য ও কোম্পানিকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে গেছে।