০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজের হোয়াইটওয়াশ রুখে দিল ভারত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারত সিরিজের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে মুক্তি পেল। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচে ভারত অস্ট্রেলিয়াকে নয় উইকেটে পরাজিত করে সিরিজে জয়লাভ করেছে। এই জয়ের অন্যতম মূল কারিগর ছিলেন অভিজ্ঞ দুই তারকা ব্যাটার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। ক্রীড়ামোদীদের মনে রাখার মতো হিসেবে, মনে করা হচ্ছে এটি তাদের অস্ট্রেলিয়ায় শেষ ম্যাচ, এবং তারা এই ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখলেন তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত মাত্র এক উইকেটের ক্ষতি sofreu করে জয় নিশ্চিত করে। রোহিত শর্মা তার ৩৩তম ওডিআই শতক (অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নবম) পূর্ণ করেন ১০৫ বলে, যা এই ম্যাচে অন্যতম central মুহূর্ত ছিল। অন্যদিকে, সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে শূন্যরানে আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি অপ্রতিরোধ্য থাকেন এবং অপরাজিত ৭৪ রানে থাকেন। এই দুই কিংবদন্তির মধ্যে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৬৮ রানের অংশীদারিতে তারা মাত্র ১৭০ বলের মধ্যে দলের জয়ের ভিত্তি দাঁড় করান।

শুভমান গিলের (অর্থাৎ, আউট হওয়া একমাত্র ব্যাটসম্যান) বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে নামেন কোহলি। দর্শকদের আমেজ বাড়িয়ে তুলতেই প্রথম বল থেকেই মিড-অন অঞ্চলে ফ্লিক করে রান নিয়েছিলেন। এসসিজি স্টেডিয়ামের ৪,০৫৮৭ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন দর্শকদের অধিকাংশই ভারতীয় সমর্থক, যারা রোহিত ও কোহলির প্রতিটি শটে উদযাপন করেন। এইভাবে কোহলি প্রথম বলেই মিড-অন দিয়ে ফ্লিক করে রানের সমাপ্তি করেন।

প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়া ১৮৩ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৩৬ রানে অল-আউট হয়। শেষের দুই উইকেটে মাত্র ৫৩ রান যোগ হয়। অজিদের পক্ষে বিশেষ করে ম্যাট রেনশ ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন, আথ তাঁর সংগ্রহ ৫৬ রান। ওপেনাররা শুরু ভালো করলেও মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস গড়তে পারেননি।

ভারতের বোলারদের মধ্য থেকে তরুণ পেসার হার্ষিত রানা সবেচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেন। তিনি ক্যারিয়ারের সেরা বোলिंगে ৪/৩৯ উইকেট শিকার করেন। তার সঙ্গে ভারতের তিন স্পিনারও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন, যারা নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন। রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি ওয়াশিংটন সুন্দরও রেনশকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারি রানার বলে শ্রেয়াস আইয়ারের হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ দিয়ে আউট হন এবং পরে হাসপাতালে স্ক্যানিংয়ের জন্য নেয়া হয়।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা ম্যাচশেষে অপরাজিত থাকলেও, দলের জয়ে অনুকরণ করেন। যদিও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে, তারপরও এই জয় ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এক ধরণের সতেজতা এনে দেয়। এটি হয়তো পরবর্তী সিরিজের জন্য সহায়ক প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজের হোয়াইটওয়াশ রুখে দিল ভারত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারত সিরিজের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে মুক্তি পেল। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচে ভারত অস্ট্রেলিয়াকে নয় উইকেটে পরাজিত করে সিরিজে জয়লাভ করেছে। এই জয়ের অন্যতম মূল কারিগর ছিলেন অভিজ্ঞ দুই তারকা ব্যাটার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। ক্রীড়ামোদীদের মনে রাখার মতো হিসেবে, মনে করা হচ্ছে এটি তাদের অস্ট্রেলিয়ায় শেষ ম্যাচ, এবং তারা এই ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখলেন তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত মাত্র এক উইকেটের ক্ষতি sofreu করে জয় নিশ্চিত করে। রোহিত শর্মা তার ৩৩তম ওডিআই শতক (অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নবম) পূর্ণ করেন ১০৫ বলে, যা এই ম্যাচে অন্যতম central মুহূর্ত ছিল। অন্যদিকে, সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে শূন্যরানে আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি অপ্রতিরোধ্য থাকেন এবং অপরাজিত ৭৪ রানে থাকেন। এই দুই কিংবদন্তির মধ্যে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৬৮ রানের অংশীদারিতে তারা মাত্র ১৭০ বলের মধ্যে দলের জয়ের ভিত্তি দাঁড় করান।

শুভমান গিলের (অর্থাৎ, আউট হওয়া একমাত্র ব্যাটসম্যান) বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে নামেন কোহলি। দর্শকদের আমেজ বাড়িয়ে তুলতেই প্রথম বল থেকেই মিড-অন অঞ্চলে ফ্লিক করে রান নিয়েছিলেন। এসসিজি স্টেডিয়ামের ৪,০৫৮৭ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন দর্শকদের অধিকাংশই ভারতীয় সমর্থক, যারা রোহিত ও কোহলির প্রতিটি শটে উদযাপন করেন। এইভাবে কোহলি প্রথম বলেই মিড-অন দিয়ে ফ্লিক করে রানের সমাপ্তি করেন।

প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়া ১৮৩ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৩৬ রানে অল-আউট হয়। শেষের দুই উইকেটে মাত্র ৫৩ রান যোগ হয়। অজিদের পক্ষে বিশেষ করে ম্যাট রেনশ ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন, আথ তাঁর সংগ্রহ ৫৬ রান। ওপেনাররা শুরু ভালো করলেও মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস গড়তে পারেননি।

ভারতের বোলারদের মধ্য থেকে তরুণ পেসার হার্ষিত রানা সবেচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেন। তিনি ক্যারিয়ারের সেরা বোলिंगে ৪/৩৯ উইকেট শিকার করেন। তার সঙ্গে ভারতের তিন স্পিনারও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন, যারা নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন। রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি ওয়াশিংটন সুন্দরও রেনশকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারি রানার বলে শ্রেয়াস আইয়ারের হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ দিয়ে আউট হন এবং পরে হাসপাতালে স্ক্যানিংয়ের জন্য নেয়া হয়।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা ম্যাচশেষে অপরাজিত থাকলেও, দলের জয়ে অনুকরণ করেন। যদিও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে, তারপরও এই জয় ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এক ধরণের সতেজতা এনে দেয়। এটি হয়তো পরবর্তী সিরিজের জন্য সহায়ক প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।