০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের প্রতিবন্ধকতা নির্মূলের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সব মত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে একত্রে থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনঃপ্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিতে হবে, তাই ঐক্যবদ্ধভাবে হাত ধরা প্রয়োজন। গতকাল শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলি যদি বিভেদ ভুলে যায় এবং ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসে, তাহলে জাতি তা কখনোই ক্ষমা করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাই একসাথে থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন রোধ করতে হবে।

আক্ষেপ ও আবেগে ভরা কণ্ঠে তিনি জানান, সাড়ে নয় বছর নিজেকে নিষ্ঠুর নির্যাতনের মধ্যে রাখতে হয়েছে—আয়নাঘরে থাকতে হয়েছে, কারাভোগ করতে হয়েছে। এতসব সংগ্রাম সত্ত্বেও কখনো পিছপা হইনি বলে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘এক সময় আমি ও আমার সহকর্মী মাহমুদুর রহমান প্রিজন সেলে ছিলাম। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের রাখা হয়েছিল কারাগারের করোনারি কেয়ার ইউনিটে। যখন তিনি অনশনে যান, তখন আমি তাকে বলি, আপনি মারা গেলে শেখ হাসিনা খুশি হবে। দয়া করে অনশন ভেঙে দিন। ছয়-সাত দিন পর মুরুব্বিরা এসে তার অনশন শেষ করান।’

তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাসকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্র আন্দোলনের রক্তঝরা দিন গুলোর স্মৃতি হৃদয়ে ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা আমাদের দায়িত্ব।

সালাহউদ্দিন আহমদ তার শেষ ভাষণে সবাইকে আহ্বান জানান, তার রক্তের অঙ্গীকার পূরণ করে সুন্দর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এই সংগ্রাম চলতে থাকবে এবং আমাদের মত ও দায়িত্বশীল সবাই একসাথে থাকবেন বলে তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের প্রতিবন্ধকতা নির্মূলের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সব মত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে একত্রে থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনঃপ্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিতে হবে, তাই ঐক্যবদ্ধভাবে হাত ধরা প্রয়োজন। গতকাল শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলি যদি বিভেদ ভুলে যায় এবং ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসে, তাহলে জাতি তা কখনোই ক্ষমা করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাই একসাথে থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন রোধ করতে হবে।

আক্ষেপ ও আবেগে ভরা কণ্ঠে তিনি জানান, সাড়ে নয় বছর নিজেকে নিষ্ঠুর নির্যাতনের মধ্যে রাখতে হয়েছে—আয়নাঘরে থাকতে হয়েছে, কারাভোগ করতে হয়েছে। এতসব সংগ্রাম সত্ত্বেও কখনো পিছপা হইনি বলে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘এক সময় আমি ও আমার সহকর্মী মাহমুদুর রহমান প্রিজন সেলে ছিলাম। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের রাখা হয়েছিল কারাগারের করোনারি কেয়ার ইউনিটে। যখন তিনি অনশনে যান, তখন আমি তাকে বলি, আপনি মারা গেলে শেখ হাসিনা খুশি হবে। দয়া করে অনশন ভেঙে দিন। ছয়-সাত দিন পর মুরুব্বিরা এসে তার অনশন শেষ করান।’

তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাসকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্র আন্দোলনের রক্তঝরা দিন গুলোর স্মৃতি হৃদয়ে ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা আমাদের দায়িত্ব।

সালাহউদ্দিন আহমদ তার শেষ ভাষণে সবাইকে আহ্বান জানান, তার রক্তের অঙ্গীকার পূরণ করে সুন্দর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এই সংগ্রাম চলতে থাকবে এবং আমাদের মত ও দায়িত্বশীল সবাই একসাথে থাকবেন বলে তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।