০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ব্রুকের ‘ওয়ান ম্যান শো’ ছাপিয়ে ‘মিলেমিশে’ জিতল নিউজিল্যান্ড

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে শুরু থেকেই দুটো দলই কিছুটা অস্থিরতার পরিচয় দেয়। ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুতেই তিনটি উইকেট পড়ে মাত্র পাঁচ রানে, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য বাঁচার সুযোগ ছিল। তার পরের সময়টায় ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা বেশ বিপদে পড়েন, তবে তাদের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক একক প্রচেষ্টায় দলের জন্য কিছুটা আশা জাগান। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল ছিলেন খুবই দক্ষ, তাঁর সঙ্গে যোগ দেন মাইকেল ব্রেসওয়েল, টম ল্যাথাম ও মিচেল স্যান্টনার। এই স্কোরাররা ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকেন, এবং দিন শেষে নিউজিল্যান্ড জয় লাভ করে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে। ইংল্যান্ডের রান ছিল ২২৩, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য খুব কঠিন ছিলো কিন্তু তারা তা সহজে পেরিয়ে গেছে ৬ উইকেট হারিয়ে। ৮০ বল আগে, তারা এই লক্ষ্য পৌঁছে যায়। ম্যাচের শুরুতে, ব্রাইডন কার্সের দুর্দান্ত বলের প্রত্যাঘরে নিউজিল্যান্ড বিপদে পড়ে, উইল ইয়াং আউট হন প্রথম বলে, এরপর ওয়াকের মধ্যে কেইন উইলিয়ামসন ক্যাচ দেন। ইউএস ওভারে উইলিয়ামসন প্রথমবারের মতো প্রথম বলেই আউট হন। এরপর লুক উড নির্বাচিত হন রবীন্দ্রের উইকেটের জন্য, যার ফলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। চতুর্থ উইকেটে টম ল্যাথাম ও ড্যারিল মিচেলের মধ্যে ৪০ রান যোগ হয়। ব্রাইডনের তৃতীয় শিকার হয়ে ল্যাথাম ফিরে যান, এরপর বড় জুটি গড়েন মিচেল ও ব্রেসওয়েল। তাদের মধ্যে পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ হয় ৯২ রান, যেখানে ব্রেসওয়েল করেন ৫১ রান। এরপর, মিচেল ও স্যান্টনারের জুটিতে আরও ৪৯ রান যোগ হয়, যার ফলে জয়ের পথ সহজ হয়। যদিও স্যান্টনার ২৭ রানে ফিরে যান, কিন্তু মিচেল আউট হন অপরাজিত ৭৮ রান করে, যেখানে তাঁকে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা মারতে দেখা যায়। এর আগে ইংল্যান্ডের ইনিংসের বেশির ভাগ সময়ই নেতৃত্ব দেয় অধিনায়ক ব্রুক। জাকারি ফকসের তোপে শুরুতেই হারায় নির্ধারিত রানের চেয়ে বেশি রান, মোট ৫ রানে তিনটি উইকেট পড়ে। এরপর দলটি ৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় এবং সেখান থেকে শেষ চার উইকেটে ১৭৯ রান যোগ করে, যা ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ দশম উইকেট জুটির রেকর্ড। ব্রুকের দুর্দান্ত ১৩৫ রানের ইনিংসে ম্যাচ হেরে গেলেও তিনি সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে জেমি ওভারটনের থেকে, যিনি করেন ৪৬ রান। উডের রান মোট ৫। ইংল্যান্ডের ইনিংসের স্কোর ছিল ৩৫.২ ওভারে ২২৩, যেখানে ব্রুকের অবদান ছিল ১৩৫ রান, ওভারটনের ৪৬, এবং উডের ৫ রান। নিউজিল্যান্ডের জন্য ব্যাটে ঝড় তোলেন মিচেল, তিনি খেলেন অপরাজিত ৭৮ রান। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন ব্রেসওয়েল, যিনি করেন ৫১ রান। তারা জোটবদ্ধভাবে জয় নিশ্চিত করে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে, যেখানে রান তাড়া করে ৩৬.৪ ওভারে ২২৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন হ্যারি ব্রুক। এই জয়ের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড সিরিজে ১-০ এখন এগিয়ে রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ব্রুকের ‘ওয়ান ম্যান শো’ ছাপিয়ে ‘মিলেমিশে’ জিতল নিউজিল্যান্ড

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে শুরু থেকেই দুটো দলই কিছুটা অস্থিরতার পরিচয় দেয়। ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুতেই তিনটি উইকেট পড়ে মাত্র পাঁচ রানে, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য বাঁচার সুযোগ ছিল। তার পরের সময়টায় ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা বেশ বিপদে পড়েন, তবে তাদের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক একক প্রচেষ্টায় দলের জন্য কিছুটা আশা জাগান। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল ছিলেন খুবই দক্ষ, তাঁর সঙ্গে যোগ দেন মাইকেল ব্রেসওয়েল, টম ল্যাথাম ও মিচেল স্যান্টনার। এই স্কোরাররা ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকেন, এবং দিন শেষে নিউজিল্যান্ড জয় লাভ করে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে। ইংল্যান্ডের রান ছিল ২২৩, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য খুব কঠিন ছিলো কিন্তু তারা তা সহজে পেরিয়ে গেছে ৬ উইকেট হারিয়ে। ৮০ বল আগে, তারা এই লক্ষ্য পৌঁছে যায়। ম্যাচের শুরুতে, ব্রাইডন কার্সের দুর্দান্ত বলের প্রত্যাঘরে নিউজিল্যান্ড বিপদে পড়ে, উইল ইয়াং আউট হন প্রথম বলে, এরপর ওয়াকের মধ্যে কেইন উইলিয়ামসন ক্যাচ দেন। ইউএস ওভারে উইলিয়ামসন প্রথমবারের মতো প্রথম বলেই আউট হন। এরপর লুক উড নির্বাচিত হন রবীন্দ্রের উইকেটের জন্য, যার ফলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। চতুর্থ উইকেটে টম ল্যাথাম ও ড্যারিল মিচেলের মধ্যে ৪০ রান যোগ হয়। ব্রাইডনের তৃতীয় শিকার হয়ে ল্যাথাম ফিরে যান, এরপর বড় জুটি গড়েন মিচেল ও ব্রেসওয়েল। তাদের মধ্যে পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ হয় ৯২ রান, যেখানে ব্রেসওয়েল করেন ৫১ রান। এরপর, মিচেল ও স্যান্টনারের জুটিতে আরও ৪৯ রান যোগ হয়, যার ফলে জয়ের পথ সহজ হয়। যদিও স্যান্টনার ২৭ রানে ফিরে যান, কিন্তু মিচেল আউট হন অপরাজিত ৭৮ রান করে, যেখানে তাঁকে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা মারতে দেখা যায়। এর আগে ইংল্যান্ডের ইনিংসের বেশির ভাগ সময়ই নেতৃত্ব দেয় অধিনায়ক ব্রুক। জাকারি ফকসের তোপে শুরুতেই হারায় নির্ধারিত রানের চেয়ে বেশি রান, মোট ৫ রানে তিনটি উইকেট পড়ে। এরপর দলটি ৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় এবং সেখান থেকে শেষ চার উইকেটে ১৭৯ রান যোগ করে, যা ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ দশম উইকেট জুটির রেকর্ড। ব্রুকের দুর্দান্ত ১৩৫ রানের ইনিংসে ম্যাচ হেরে গেলেও তিনি সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে জেমি ওভারটনের থেকে, যিনি করেন ৪৬ রান। উডের রান মোট ৫। ইংল্যান্ডের ইনিংসের স্কোর ছিল ৩৫.২ ওভারে ২২৩, যেখানে ব্রুকের অবদান ছিল ১৩৫ রান, ওভারটনের ৪৬, এবং উডের ৫ রান। নিউজিল্যান্ডের জন্য ব্যাটে ঝড় তোলেন মিচেল, তিনি খেলেন অপরাজিত ৭৮ রান। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন ব্রেসওয়েল, যিনি করেন ৫১ রান। তারা জোটবদ্ধভাবে জয় নিশ্চিত করে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে, যেখানে রান তাড়া করে ৩৬.৪ ওভারে ২২৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন হ্যারি ব্রুক। এই জয়ের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড সিরিজে ১-০ এখন এগিয়ে রয়েছে।