০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সিডনিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল ভারত, সিরিজের শেষ ম্যাচে জয়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ালো ভারত। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি)_series এর তৃতীয় ও শেষ এক দিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচে গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নয় উইকেটে জয় हासिल করে নিজেদের লজ্জা কাটালেন টিম ইন্ডিয়া। এই জয়ের মূল কারিগর ছিলেন অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটাররা—রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি—যারা শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে তুললেন।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ভারত জয় লাভ করে। রোহিত শর্মা তিনি তার ৩৩তম ওডিআই শতক (অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নবম) পূর্ণ করেন ১০৫ বলে, যা এই সিরিজে তার প্রথম। অন্যদিকে, সিরিজের প্রথম দু’ম্যাচে শূন্য রানের পর বিরাট কোহলি অপরাজিত ৭৪ রানে খেলেন। দুই দলের এই অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপটি ১৬৮ রান পর্যন্ত পৌঁছায়, যা মাত্র ১৭০ বলে সম্পন্ন হয়।

শুভমান গিলের (অবসান হওয়া একমাত্র ব্যাটসম্যান) বিদায়ের পর ব্যাট হাতে নামেন কোহলি। ঢেকে থাকা দর্শকপ্রশংসায় পূর্ণ এসসিজি স্টেডিয়ামের অধিকাংশ দর্শকই ছিলেন ভারতীয় সমর্থক, যারা রোহিত- কোহলির প্রতিটি শটের প্রশংসায় ফেটে পড়েন। কোহলি প্রথম বলেই মিড-অন দিয়ে ফ্লিক করে রান নেন, যা দর্শকদের উল্লাস আরও বাড়িয়ে তোলে।

এর আগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। তারা শুরু থেকেই ভালো করলেও শেষের দিকে ১৮৩ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৩৬ রানে অলআউট হয়। শেষ ৭ উইকেটে মাত্র ৫৩ রান যোগ করে তারা। অজিদের পক্ষে অভিষেক ওয়ানডে ক্রিকেটে অর্ধশতক হাঁকান ম্যাট রেনশ (৫৬)। ওপেনাররা ভালো শুরু করলেও মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

ভারতের বোলারদের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স করেন তরুণ পেসার হার্ষিত রানা, যিনি ক্যারিয়ারের সেরা ৪/৩৯ উইকেট শিকার করেন। পাশাপাশি, ভারতের তিন স্পিনার নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান গতিতে লাগাম টেনে ধরেন। রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি ওয়াশিংটন সুন্দরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন; তাঁকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। অ্যালেক্স ক্যারির ক্যাচের মাধ্যমে আউট হওয়ার পর রানার অসুস্থ হয়ে মাঠ ছাড়েন এবং পরে হাসপাতালে স্ক্যানের জন্য যান।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা অপরাজিত থাকাকালে ভারতকে জয় এনে দেন। যদিও অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিলেও এই ম্যাচের জয় ভারতের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি সৃষ্টি করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সিডনিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল ভারত, সিরিজের শেষ ম্যাচে জয়

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ালো ভারত। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি)_series এর তৃতীয় ও শেষ এক দিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচে গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নয় উইকেটে জয় हासिल করে নিজেদের লজ্জা কাটালেন টিম ইন্ডিয়া। এই জয়ের মূল কারিগর ছিলেন অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটাররা—রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি—যারা শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে তুললেন।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ভারত জয় লাভ করে। রোহিত শর্মা তিনি তার ৩৩তম ওডিআই শতক (অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নবম) পূর্ণ করেন ১০৫ বলে, যা এই সিরিজে তার প্রথম। অন্যদিকে, সিরিজের প্রথম দু’ম্যাচে শূন্য রানের পর বিরাট কোহলি অপরাজিত ৭৪ রানে খেলেন। দুই দলের এই অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপটি ১৬৮ রান পর্যন্ত পৌঁছায়, যা মাত্র ১৭০ বলে সম্পন্ন হয়।

শুভমান গিলের (অবসান হওয়া একমাত্র ব্যাটসম্যান) বিদায়ের পর ব্যাট হাতে নামেন কোহলি। ঢেকে থাকা দর্শকপ্রশংসায় পূর্ণ এসসিজি স্টেডিয়ামের অধিকাংশ দর্শকই ছিলেন ভারতীয় সমর্থক, যারা রোহিত- কোহলির প্রতিটি শটের প্রশংসায় ফেটে পড়েন। কোহলি প্রথম বলেই মিড-অন দিয়ে ফ্লিক করে রান নেন, যা দর্শকদের উল্লাস আরও বাড়িয়ে তোলে।

এর আগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। তারা শুরু থেকেই ভালো করলেও শেষের দিকে ১৮৩ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৩৬ রানে অলআউট হয়। শেষ ৭ উইকেটে মাত্র ৫৩ রান যোগ করে তারা। অজিদের পক্ষে অভিষেক ওয়ানডে ক্রিকেটে অর্ধশতক হাঁকান ম্যাট রেনশ (৫৬)। ওপেনাররা ভালো শুরু করলেও মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

ভারতের বোলারদের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স করেন তরুণ পেসার হার্ষিত রানা, যিনি ক্যারিয়ারের সেরা ৪/৩৯ উইকেট শিকার করেন। পাশাপাশি, ভারতের তিন স্পিনার নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান গতিতে লাগাম টেনে ধরেন। রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি ওয়াশিংটন সুন্দরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন; তাঁকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। অ্যালেক্স ক্যারির ক্যাচের মাধ্যমে আউট হওয়ার পর রানার অসুস্থ হয়ে মাঠ ছাড়েন এবং পরে হাসপাতালে স্ক্যানের জন্য যান।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা অপরাজিত থাকাকালে ভারতকে জয় এনে দেন। যদিও অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিলেও এই ম্যাচের জয় ভারতের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি সৃষ্টি করে।