০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নাগরিক ভোটাধিকার রক্ষায় ঐতিহাসিক রায়: বিএনপি

সর্বোচ্চ আদালতের নতুন সিদ্ধান্তে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যস্থা পুনর্বহাল হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গভীরভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই রায়কে তারা মনে করে নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় এবং ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পথ সুগম করার একটি বড় অগ্রগতি। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারই সম্ভবত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অতীতে এই ব্যবস্থার অধীনে আসা নির্বাচনগুলো বেশি কোটি মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছিল। যদি কোথাও এই ব্যবস্থার মধ্যে দুর্বলতা থাকে, তা সহজে সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমীর খসরু আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব বিষয়ক কোনো বিতর্ক থাকলে তা আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। অন্যদিকে, এই রায়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল বলেছেন, এটি সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ রায় যেখানে প্রমাণিত হয় যে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা এই সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে। কিন্তু ২০১১ সালে সেই সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জনতার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজকের রায়ের ফলে সংবিধানে ঐতিহ্যবাহী এই ব্যবস্থা আবার অটোমেটিক্যালি ফিরে এসেছে, এবং মানুষের ভোটাধিকারের জয় হয়েছে। রায়ের পরে সাধারণ মতামত ব্যক্ত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, এই রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল নিশ্চিত করেছে। এখন থেকে জনগণ নিশ্চিন্ধে ও দ্বিধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবে, যা পরিষ্কারভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে একটি বড় অর্জন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

নাগরিক ভোটাধিকার রক্ষায় ঐতিহাসিক রায়: বিএনপি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

সর্বোচ্চ আদালতের নতুন সিদ্ধান্তে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যস্থা পুনর্বহাল হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গভীরভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই রায়কে তারা মনে করে নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় এবং ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পথ সুগম করার একটি বড় অগ্রগতি। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারই সম্ভবত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অতীতে এই ব্যবস্থার অধীনে আসা নির্বাচনগুলো বেশি কোটি মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছিল। যদি কোথাও এই ব্যবস্থার মধ্যে দুর্বলতা থাকে, তা সহজে সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমীর খসরু আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব বিষয়ক কোনো বিতর্ক থাকলে তা আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। অন্যদিকে, এই রায়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল বলেছেন, এটি সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ রায় যেখানে প্রমাণিত হয় যে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা এই সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে। কিন্তু ২০১১ সালে সেই সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জনতার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজকের রায়ের ফলে সংবিধানে ঐতিহ্যবাহী এই ব্যবস্থা আবার অটোমেটিক্যালি ফিরে এসেছে, এবং মানুষের ভোটাধিকারের জয় হয়েছে। রায়ের পরে সাধারণ মতামত ব্যক্ত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, এই রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল নিশ্চিত করেছে। এখন থেকে জনগণ নিশ্চিন্ধে ও দ্বিধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবে, যা পরিষ্কারভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে একটি বড় অর্জন।