০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাগরিক ভোটাধিকার রক্ষায় ঐতিহাসিক রায়: বিএনপি

সর্বোচ্চ আদালতের নতুন সিদ্ধান্তে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যস্থা পুনর্বহাল হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গভীরভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই রায়কে তারা মনে করে নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় এবং ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পথ সুগম করার একটি বড় অগ্রগতি। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারই সম্ভবত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অতীতে এই ব্যবস্থার অধীনে আসা নির্বাচনগুলো বেশি কোটি মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছিল। যদি কোথাও এই ব্যবস্থার মধ্যে দুর্বলতা থাকে, তা সহজে সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমীর খসরু আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব বিষয়ক কোনো বিতর্ক থাকলে তা আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। অন্যদিকে, এই রায়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল বলেছেন, এটি সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ রায় যেখানে প্রমাণিত হয় যে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা এই সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে। কিন্তু ২০১১ সালে সেই সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জনতার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজকের রায়ের ফলে সংবিধানে ঐতিহ্যবাহী এই ব্যবস্থা আবার অটোমেটিক্যালি ফিরে এসেছে, এবং মানুষের ভোটাধিকারের জয় হয়েছে। রায়ের পরে সাধারণ মতামত ব্যক্ত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, এই রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল নিশ্চিত করেছে। এখন থেকে জনগণ নিশ্চিন্ধে ও দ্বিধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবে, যা পরিষ্কারভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে একটি বড় অর্জন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নাগরিক ভোটাধিকার রক্ষায় ঐতিহাসিক রায়: বিএনপি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

সর্বোচ্চ আদালতের নতুন সিদ্ধান্তে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যস্থা পুনর্বহাল হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গভীরভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই রায়কে তারা মনে করে নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ বিজয় এবং ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পথ সুগম করার একটি বড় অগ্রগতি। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারই সম্ভবত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অতীতে এই ব্যবস্থার অধীনে আসা নির্বাচনগুলো বেশি কোটি মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছিল। যদি কোথাও এই ব্যবস্থার মধ্যে দুর্বলতা থাকে, তা সহজে সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমীর খসরু আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব বিষয়ক কোনো বিতর্ক থাকলে তা আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। অন্যদিকে, এই রায়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপির আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল বলেছেন, এটি সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ রায় যেখানে প্রমাণিত হয় যে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা এই সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে। কিন্তু ২০১১ সালে সেই সরকারব্যবস্থা বাতিল করে জনতার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজকের রায়ের ফলে সংবিধানে ঐতিহ্যবাহী এই ব্যবস্থা আবার অটোমেটিক্যালি ফিরে এসেছে, এবং মানুষের ভোটাধিকারের জয় হয়েছে। রায়ের পরে সাধারণ মতামত ব্যক্ত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, এই রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল নিশ্চিত করেছে। এখন থেকে জনগণ নিশ্চিন্ধে ও দ্বিধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবে, যা পরিষ্কারভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে একটি বড় অর্জন।