০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতার বিশাল পথসভা ও শোডাউন

কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলার আঞ্চলিক মহাসড়ক দীর্ঘ সময়ের জন্য অবরুদ্ধ করে রেখে বিএনপি নেতা শেখ সাদীর আয়োজন করা বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় কুমারখালীর কাজীপাড়া মোড়ে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ দিয়েছিলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও কুষ্টিয়া ৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ সাদী। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমানসহ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী। পুরো সড়কটি বন্ধ করে রাখার কারণে প্রবল যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শেখ সাদী তার বক্তব্যে প্রায় পাঁচ মিনিট এবং হাফিজুর রহমান আড়াই মিনিট বক্তব্য দেন। পাশাপাশি শেখ সাদী সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রকার সাক্ষাৎকার দেন, যা মোট চার মিনিটের বেশি সময় লেগে যায়। এতে স্থানীয় যানব säga ব্যাপক ভোগান্তি দেখা দেয়। খবর জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া ৪ (কুমারখালীর) আসনে মনোনয়নপত্র পেয়েছিলেন সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। তবে শীর্ষ লবিং চালানো ও স্বীয় স্বার্থের জন্য শেখ সাদী এই মনোনয়ন পরিবর্তন করে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে চাচ্ছেন। এই খবর জানাজানি হলে শনিবার দুপুর একটার সময় শেখ সাদী খোকসার শিয়ালডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছান, যেখানে তিনি হাজার হাজার নেতাকর্মীর শুভেচ্ছা ও ফুলের ফুলেল সংবর্ধনা গ্রহণ করেন। এরপর তিনি একটি বিশাল গাড়িবহর সহ খোকসা উপজেলা শহর প্রদক্ষিণ করে কুমারখালীর কাজীপাড়ায় শেষ করেন তার পথসভা। অনুষ্ঠানে তিনি সরকারী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে দলীয় নির্বাচনী প্রার্থীর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। জনদুর্ভোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ সাদী বলেন, ‘আমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার মানুষ আজকের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। কিছুটা ভোগান্তি হওয়ায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ এই বিশাল কর্মসূচি ও জনসমাগমের জন্য সাধারণ জনগণের কিছুটা ভোগান্তি স্বীকার করতে হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতার বিশাল পথসভা ও শোডাউন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলার আঞ্চলিক মহাসড়ক দীর্ঘ সময়ের জন্য অবরুদ্ধ করে রেখে বিএনপি নেতা শেখ সাদীর আয়োজন করা বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় কুমারখালীর কাজীপাড়া মোড়ে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ দিয়েছিলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও কুষ্টিয়া ৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ সাদী। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমানসহ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী। পুরো সড়কটি বন্ধ করে রাখার কারণে প্রবল যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। শেখ সাদী তার বক্তব্যে প্রায় পাঁচ মিনিট এবং হাফিজুর রহমান আড়াই মিনিট বক্তব্য দেন। পাশাপাশি শেখ সাদী সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রকার সাক্ষাৎকার দেন, যা মোট চার মিনিটের বেশি সময় লেগে যায়। এতে স্থানীয় যানব säga ব্যাপক ভোগান্তি দেখা দেয়। খবর জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া ৪ (কুমারখালীর) আসনে মনোনয়নপত্র পেয়েছিলেন সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। তবে শীর্ষ লবিং চালানো ও স্বীয় স্বার্থের জন্য শেখ সাদী এই মনোনয়ন পরিবর্তন করে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে চাচ্ছেন। এই খবর জানাজানি হলে শনিবার দুপুর একটার সময় শেখ সাদী খোকসার শিয়ালডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছান, যেখানে তিনি হাজার হাজার নেতাকর্মীর শুভেচ্ছা ও ফুলের ফুলেল সংবর্ধনা গ্রহণ করেন। এরপর তিনি একটি বিশাল গাড়িবহর সহ খোকসা উপজেলা শহর প্রদক্ষিণ করে কুমারখালীর কাজীপাড়ায় শেষ করেন তার পথসভা। অনুষ্ঠানে তিনি সরকারী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে দলীয় নির্বাচনী প্রার্থীর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। জনদুর্ভোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ সাদী বলেন, ‘আমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার মানুষ আজকের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। কিছুটা ভোগান্তি হওয়ায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ এই বিশাল কর্মসূচি ও জনসমাগমের জন্য সাধারণ জনগণের কিছুটা ভোগান্তি স্বীকার করতে হয়েছে।