০৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় ছাড়া প্রবৃদ্ধি অসম্ভব: অ্যামচ্যাম

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঘনিষ্ঠ ও কার্যকর সমন্বয় গতিশীলতা আনে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এই সমন্বয় ছাড়া দেশের প্রবৃদ্ধি কোনোভাবেই টেকসই ও গতিশীল হতে পারে না।

গত রোববার ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ: চ্যালেঞ্জ থেকে প্রতিযোগিতার পথে’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে এসব কথা উঠে আসে। অনুষ্ঠানে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল বেটোপিয়া গ্রুপ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মহবুবুর রহমান।

সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, শিল্প, পররাষ্ট্র, অর্থ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কাঠামো ও ভবিষ্যদ্বানীর বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের দ্রুত সংস্কার আর নীতিগত পরিবর্তন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে লজিস্টিক ব্যবস্থা উন্নত করা, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা, নীতি ও প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়িক সেবা ডিজিটাল 플랫폼ে আনয়ন। এসব পদক্ষেপ ব্যবসার খাতের উন্নয়নে দ্রুত গতি আনার জন্য অতি জরুরি।

অতিরিক্ত প্রয়োজন মনে করেন জ্বালানি নিরাপত্তা, পুনর্ব্যবহার ও রিসাইক্লিং শিল্পে প্রণোদনা দেওয়া এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সৃষ্টি। এসব উদ্যোগ দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হয়।

সংলাপে বলা হয়, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সরকার ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা অব্যাহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপে গড়ে তুলতে হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগের গতি দ্রুত হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের বাণিজ্যবিষয়ক কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

অ্যামচ্যামের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং স্টি.এন.এ’র বাংলাদেশ অফিসের প্রধান নির্বাহী মইনুল হক, অগমডেক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদ মুজিব নোমানসহ অন্যান্য নেতারা অংশ নেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেটোপিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মনির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের পরিচালনা করেন অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কায়সার মোহাম্মদ রিয়াদ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় ছাড়া প্রবৃদ্ধি অসম্ভব: অ্যামচ্যাম

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঘনিষ্ঠ ও কার্যকর সমন্বয় গতিশীলতা আনে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এই সমন্বয় ছাড়া দেশের প্রবৃদ্ধি কোনোভাবেই টেকসই ও গতিশীল হতে পারে না।

গত রোববার ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ: চ্যালেঞ্জ থেকে প্রতিযোগিতার পথে’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে এসব কথা উঠে আসে। অনুষ্ঠানে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল বেটোপিয়া গ্রুপ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মহবুবুর রহমান।

সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, শিল্প, পররাষ্ট্র, অর্থ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কাঠামো ও ভবিষ্যদ্বানীর বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের দ্রুত সংস্কার আর নীতিগত পরিবর্তন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে লজিস্টিক ব্যবস্থা উন্নত করা, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা, নীতি ও প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়িক সেবা ডিজিটাল 플랫폼ে আনয়ন। এসব পদক্ষেপ ব্যবসার খাতের উন্নয়নে দ্রুত গতি আনার জন্য অতি জরুরি।

অতিরিক্ত প্রয়োজন মনে করেন জ্বালানি নিরাপত্তা, পুনর্ব্যবহার ও রিসাইক্লিং শিল্পে প্রণোদনা দেওয়া এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সৃষ্টি। এসব উদ্যোগ দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হয়।

সংলাপে বলা হয়, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সরকার ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা অব্যাহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপে গড়ে তুলতে হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগের গতি দ্রুত হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের বাণিজ্যবিষয়ক কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

অ্যামচ্যামের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং স্টি.এন.এ’র বাংলাদেশ অফিসের প্রধান নির্বাহী মইনুল হক, অগমডেক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদ মুজিব নোমানসহ অন্যান্য নেতারা অংশ নেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেটোপিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মনির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের পরিচালনা করেন অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কায়সার মোহাম্মদ রিয়াদ।