০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বিএনপি ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত: রুমিন ফারহানা

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এ বিষয়ে বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন এক দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এই সময়টির জন্য অনেক আগে থেকেই অপেক্ষা করে এসেছে, বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই ও ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে উন্নত নির্বাচনী পরিবেশের জন্য সংগ্রাম করে গেছে।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপি চাইলে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং বিরোধী দলে থাকায় কোনও বাধা ছিল না। তবে দলটি চেয়েছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত হবে। সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরী হওয়ায় এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় বিএনপি এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি ভবিষ্যতের রাজনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ এখন এক নির্মূলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসছে এবং সুস্থ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের যুগে প্রবেশ করছে। এ সময় তিনি বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, এক সময় ভিন্নমতের বা শিবিরের তকমা দিয়ে নির্যাতনের সংস্কৃতি চালু ছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

নির্বাচনী মাঠে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর একে অপরের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা স্বাভাবিক। জামায়াত যখন স্লোগান দেয় ‘নৌকা-ধানের শীষ দুই সাপের এক বিষ’, তখন বিএনপি এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কারণ জনগণ ইতিমধ্যে জানে তাদের অতীতের ভূমিকা।

তথ্যচিত্রে জামায়াতের আমিরের জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব ও এনসিপির নেতাদের ৩০০ আসনে জয়ের আশাবাদ নিয়েও কথোপকথন হয়। রুমিন বলেন, আগে ভোট দেওয়া দরকার, তারপর আসনের হিসাব। এনসিপির ৩০০ আসনপ্রাপ্তির দাবি তিনি অবাক হয়ে দেখেন। পাশাপাশি, জাতীয় সরকার গঠনের ধারণা নতুন কিছু নয় উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে সব দল ও মতের মানুষকে নিয়ে সরকার গঠনের স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি ২০১৬ সালে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ‘ভিশন ২০৩০’ এ জাতীয় সরকারের রূপরেখা আগেই উপস্থাপন করেছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বিএনপি ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এ বিষয়ে বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন এক দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এই সময়টির জন্য অনেক আগে থেকেই অপেক্ষা করে এসেছে, বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই ও ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে উন্নত নির্বাচনী পরিবেশের জন্য সংগ্রাম করে গেছে।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপি চাইলে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং বিরোধী দলে থাকায় কোনও বাধা ছিল না। তবে দলটি চেয়েছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত হবে। সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরী হওয়ায় এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় বিএনপি এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি ভবিষ্যতের রাজনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ এখন এক নির্মূলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসছে এবং সুস্থ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের যুগে প্রবেশ করছে। এ সময় তিনি বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, এক সময় ভিন্নমতের বা শিবিরের তকমা দিয়ে নির্যাতনের সংস্কৃতি চালু ছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

নির্বাচনী মাঠে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর একে অপরের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা স্বাভাবিক। জামায়াত যখন স্লোগান দেয় ‘নৌকা-ধানের শীষ দুই সাপের এক বিষ’, তখন বিএনপি এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কারণ জনগণ ইতিমধ্যে জানে তাদের অতীতের ভূমিকা।

তথ্যচিত্রে জামায়াতের আমিরের জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব ও এনসিপির নেতাদের ৩০০ আসনে জয়ের আশাবাদ নিয়েও কথোপকথন হয়। রুমিন বলেন, আগে ভোট দেওয়া দরকার, তারপর আসনের হিসাব। এনসিপির ৩০০ আসনপ্রাপ্তির দাবি তিনি অবাক হয়ে দেখেন। পাশাপাশি, জাতীয় সরকার গঠনের ধারণা নতুন কিছু নয় উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে সব দল ও মতের মানুষকে নিয়ে সরকার গঠনের স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি ২০১৬ সালে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ‘ভিশন ২০৩০’ এ জাতীয় সরকারের রূপরেখা আগেই উপস্থাপন করেছিলেন।