১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিএনপি ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত: রুমিন ফারহানা

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এ বিষয়ে বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন এক দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এই সময়টির জন্য অনেক আগে থেকেই অপেক্ষা করে এসেছে, বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই ও ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে উন্নত নির্বাচনী পরিবেশের জন্য সংগ্রাম করে গেছে।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপি চাইলে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং বিরোধী দলে থাকায় কোনও বাধা ছিল না। তবে দলটি চেয়েছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত হবে। সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরী হওয়ায় এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় বিএনপি এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি ভবিষ্যতের রাজনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ এখন এক নির্মূলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসছে এবং সুস্থ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের যুগে প্রবেশ করছে। এ সময় তিনি বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, এক সময় ভিন্নমতের বা শিবিরের তকমা দিয়ে নির্যাতনের সংস্কৃতি চালু ছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

নির্বাচনী মাঠে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর একে অপরের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা স্বাভাবিক। জামায়াত যখন স্লোগান দেয় ‘নৌকা-ধানের শীষ দুই সাপের এক বিষ’, তখন বিএনপি এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কারণ জনগণ ইতিমধ্যে জানে তাদের অতীতের ভূমিকা।

তথ্যচিত্রে জামায়াতের আমিরের জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব ও এনসিপির নেতাদের ৩০০ আসনে জয়ের আশাবাদ নিয়েও কথোপকথন হয়। রুমিন বলেন, আগে ভোট দেওয়া দরকার, তারপর আসনের হিসাব। এনসিপির ৩০০ আসনপ্রাপ্তির দাবি তিনি অবাক হয়ে দেখেন। পাশাপাশি, জাতীয় সরকার গঠনের ধারণা নতুন কিছু নয় উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে সব দল ও মতের মানুষকে নিয়ে সরকার গঠনের স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি ২০১৬ সালে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ‘ভিশন ২০৩০’ এ জাতীয় সরকারের রূপরেখা আগেই উপস্থাপন করেছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিএনপি ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, এ বিষয়ে বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন এক দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এই সময়টির জন্য অনেক আগে থেকেই অপেক্ষা করে এসেছে, বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই ও ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে উন্নত নির্বাচনী পরিবেশের জন্য সংগ্রাম করে গেছে।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপি চাইলে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং বিরোধী দলে থাকায় কোনও বাধা ছিল না। তবে দলটি চেয়েছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত হবে। সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরী হওয়ায় এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় বিএনপি এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি ভবিষ্যতের রাজনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ এখন এক নির্মূলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসছে এবং সুস্থ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের যুগে প্রবেশ করছে। এ সময় তিনি বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, এক সময় ভিন্নমতের বা শিবিরের তকমা দিয়ে নির্যাতনের সংস্কৃতি চালু ছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

নির্বাচনী মাঠে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর একে অপরের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা স্বাভাবিক। জামায়াত যখন স্লোগান দেয় ‘নৌকা-ধানের শীষ দুই সাপের এক বিষ’, তখন বিএনপি এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কারণ জনগণ ইতিমধ্যে জানে তাদের অতীতের ভূমিকা।

তথ্যচিত্রে জামায়াতের আমিরের জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব ও এনসিপির নেতাদের ৩০০ আসনে জয়ের আশাবাদ নিয়েও কথোপকথন হয়। রুমিন বলেন, আগে ভোট দেওয়া দরকার, তারপর আসনের হিসাব। এনসিপির ৩০০ আসনপ্রাপ্তির দাবি তিনি অবাক হয়ে দেখেন। পাশাপাশি, জাতীয় সরকার গঠনের ধারণা নতুন কিছু নয় উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে সব দল ও মতের মানুষকে নিয়ে সরকার গঠনের স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি ২০১৬ সালে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ‘ভিশন ২০৩০’ এ জাতীয় সরকারের রূপরেখা আগেই উপস্থাপন করেছিলেন।