০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা: সংবাদমাধ্যমে হামলার নুরুল কবীরের উদ্বগ

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গুলিস্তানের ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ কার্যালয়ে ভয়াংকর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর। তিনি বলেন, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সংবাদকর্মীদের জীবননাশের চেষ্টা। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত বাংলাদেশ’ শীর্ষক যৌথ প্রতিবাদ সভায় তিনি এই কথা বলেন। উদ্যোগ নেয়া হয় সম্পাদক পরিষদ এবং নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) থেকে। নুরুল কবীর বলেন, হামলার ভয়াবহতা গভীরভাবে দেখা উচিত। তিনি বর্ণনা করেন, যখন সংবাদকর্মীরা অফিসে কাজ করছিলেন, তখন দৃশ্যত পরিকল্পিতভাবে চারপাশে আগুন লাগানো হয়। এমনকি আগুন নিভানোর জন্য ছুটে আসা ফায়ার সার্ভিসকেও বাধা দেওয়া হয়। তিনি এই ঘটনায় বলেন, এটি ছিল ‘মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’। তিনি আরও মন্তব্য করেন, প্রতিটি গণমাধ্যমের নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতিনীতি থাকে, যা কারো অপ্রিয় লাগতে পারে। কিন্তু সেই মতবিরোধের জেরে প্রতিষ্ঠানে আগুন দেওয়া সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অপ্রকাশ্য ঘটনা। প্রতিবাদ সভায় নুরুল কবীর সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের মব ভায়োলেন্স বা গণআক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ না হয়, তবে অন্যতম ক্ষতি হবে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে। তিনি মনে করেন, এই হামলা সরাসরি গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকারের উপর গুরুতর আঘাত। সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট নাগরিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা একমত প্রকাশ করেন যে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে পেশাজীবীদের একযোগে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। সভার শেষে সংহতি প্রকাশের জন্য হোটেলের বাইরে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাংবাদিকেরা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই হামলা বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান। মূলভাব হলো, এমন নজিরবিহীন আক্রমণ ঠেকাতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এক শক্তিশালী বার্তা দেওয়া এই সভার মাধ্যমে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা: সংবাদমাধ্যমে হামলার নুরুল কবীরের উদ্বগ

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গুলিস্তানের ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ কার্যালয়ে ভয়াংকর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর। তিনি বলেন, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সংবাদকর্মীদের জীবননাশের চেষ্টা। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত বাংলাদেশ’ শীর্ষক যৌথ প্রতিবাদ সভায় তিনি এই কথা বলেন। উদ্যোগ নেয়া হয় সম্পাদক পরিষদ এবং নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) থেকে। নুরুল কবীর বলেন, হামলার ভয়াবহতা গভীরভাবে দেখা উচিত। তিনি বর্ণনা করেন, যখন সংবাদকর্মীরা অফিসে কাজ করছিলেন, তখন দৃশ্যত পরিকল্পিতভাবে চারপাশে আগুন লাগানো হয়। এমনকি আগুন নিভানোর জন্য ছুটে আসা ফায়ার সার্ভিসকেও বাধা দেওয়া হয়। তিনি এই ঘটনায় বলেন, এটি ছিল ‘মধ্যযুগীয় কায়দায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’। তিনি আরও মন্তব্য করেন, প্রতিটি গণমাধ্যমের নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতিনীতি থাকে, যা কারো অপ্রিয় লাগতে পারে। কিন্তু সেই মতবিরোধের জেরে প্রতিষ্ঠানে আগুন দেওয়া সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অপ্রকাশ্য ঘটনা। প্রতিবাদ সভায় নুরুল কবীর সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের মব ভায়োলেন্স বা গণআক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ না হয়, তবে অন্যতম ক্ষতি হবে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে। তিনি মনে করেন, এই হামলা সরাসরি গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকারের উপর গুরুতর আঘাত। সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট নাগরিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা একমত প্রকাশ করেন যে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে পেশাজীবীদের একযোগে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। সভার শেষে সংহতি প্রকাশের জন্য হোটেলের বাইরে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাংবাদিকেরা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই হামলা বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান। মূলভাব হলো, এমন নজিরবিহীন আক্রমণ ঠেকাতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এক শক্তিশালী বার্তা দেওয়া এই সভার মাধ্যমে।