০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তারেক রহমানের দেশে ফেরার পক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফুটো করে গেলেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

দীর্ঘ নির্বাসনের পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনের শোকরানা বা প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসাধারণ এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে বিমানবন্দরকে এক নিরাপদ দুর্গে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতাবেক বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বাহিরে কঠোর নিরাপত্তার বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেন কোনভাবেই অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে না পারে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, এই বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে একাধিক হাজার পুলিশ, আর্মি, এভসেক, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, আনসার ও ডিএমপির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন। এর পাশাপাশি, পোশাকধারী সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দাদের নজরদারিও আরও দৃঢ় করা হয়েছে। বুধবার বিকেল থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হবে। বিমানের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি বাহিরের পথগুলোতে কুইক রেসপন্স টিম ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।

সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের প্রবেশাধিকারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে অন্য কাউন্সিল বা ভিজিটরদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত ফ্লাইটে যাত্রীরা নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের জন্যও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা শুধুমাত্র নির্ধারিত এলাকা থেকে কাজ করতে পারেন। অবাঞ্ছিত চলাচল ও অপ্রয়োজনীয় দর্শনার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ড্রোন ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ গ্রহণের সময় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা ও নিরাপদ বিমান চলাচলের স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশের ফেরার সংবাদকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা অবস্থানে রয়েছে, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ সাময়িক ঘটনাটির স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার পক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফুটো করে গেলেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ নির্বাসনের পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনের শোকরানা বা প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসাধারণ এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে বিমানবন্দরকে এক নিরাপদ দুর্গে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতাবেক বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বাহিরে কঠোর নিরাপত্তার বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেন কোনভাবেই অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে না পারে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, এই বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে একাধিক হাজার পুলিশ, আর্মি, এভসেক, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, আনসার ও ডিএমপির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন। এর পাশাপাশি, পোশাকধারী সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দাদের নজরদারিও আরও দৃঢ় করা হয়েছে। বুধবার বিকেল থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হবে। বিমানের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি বাহিরের পথগুলোতে কুইক রেসপন্স টিম ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।

সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের প্রবেশাধিকারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে অন্য কাউন্সিল বা ভিজিটরদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত ফ্লাইটে যাত্রীরা নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের জন্যও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা শুধুমাত্র নির্ধারিত এলাকা থেকে কাজ করতে পারেন। অবাঞ্ছিত চলাচল ও অপ্রয়োজনীয় দর্শনার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ড্রোন ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ গ্রহণের সময় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা ও নিরাপদ বিমান চলাচলের স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশের ফেরার সংবাদকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা অবস্থানে রয়েছে, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ সাময়িক ঘটনাটির স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।