০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

তারেক রহমানের দেশে ফেরার পক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফুটো করে গেলেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

দীর্ঘ নির্বাসনের পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনের শোকরানা বা প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসাধারণ এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে বিমানবন্দরকে এক নিরাপদ দুর্গে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতাবেক বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বাহিরে কঠোর নিরাপত্তার বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেন কোনভাবেই অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে না পারে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, এই বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে একাধিক হাজার পুলিশ, আর্মি, এভসেক, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, আনসার ও ডিএমপির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন। এর পাশাপাশি, পোশাকধারী সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দাদের নজরদারিও আরও দৃঢ় করা হয়েছে। বুধবার বিকেল থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হবে। বিমানের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি বাহিরের পথগুলোতে কুইক রেসপন্স টিম ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।

সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের প্রবেশাধিকারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে অন্য কাউন্সিল বা ভিজিটরদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত ফ্লাইটে যাত্রীরা নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের জন্যও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা শুধুমাত্র নির্ধারিত এলাকা থেকে কাজ করতে পারেন। অবাঞ্ছিত চলাচল ও অপ্রয়োজনীয় দর্শনার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ড্রোন ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ গ্রহণের সময় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা ও নিরাপদ বিমান চলাচলের স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশের ফেরার সংবাদকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা অবস্থানে রয়েছে, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ সাময়িক ঘটনাটির স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমানের দেশে ফেরার পক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফুটো করে গেলেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ নির্বাসনের পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনের শোকরানা বা প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসাধারণ এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে বিমানবন্দরকে এক নিরাপদ দুর্গে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতাবেক বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বাহিরে কঠোর নিরাপত্তার বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেন কোনভাবেই অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে না পারে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, এই বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে একাধিক হাজার পুলিশ, আর্মি, এভসেক, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, আনসার ও ডিএমপির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন। এর পাশাপাশি, পোশাকধারী সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দাদের নজরদারিও আরও দৃঢ় করা হয়েছে। বুধবার বিকেল থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হবে। বিমানের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি বাহিরের পথগুলোতে কুইক রেসপন্স টিম ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।

সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের প্রবেশাধিকারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা—অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে অন্য কাউন্সিল বা ভিজিটরদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত ফ্লাইটে যাত্রীরা নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের জন্যও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন তারা শুধুমাত্র নির্ধারিত এলাকা থেকে কাজ করতে পারেন। অবাঞ্ছিত চলাচল ও অপ্রয়োজনীয় দর্শনার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ড্রোন ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ গ্রহণের সময় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা ও নিরাপদ বিমান চলাচলের স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশের ফেরার সংবাদকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা অবস্থানে রয়েছে, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ সাময়িক ঘটনাটির স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।