০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

তারেক রহমানের দেশে ফেরার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নাহিদ ইসলাম

নির্বাচিত এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা, যা দেশের গণতান্ত্রিক অর্জনের একটি সুন্দর পরিচয়। এই ফেরার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি এ কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ও তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমত প্রকাশের কারণে প্রয়াত রাষ্ট্রীয় অভ্যুত্থানের শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে থাকতে তাদের উপর দেশের নানা ধরনের কঠোরতা আর দমন-পীড়ন চালানো হয়। তবে হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলস্বরূপ আজ তিনি এবং তার পরিবার দেশে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষিত হবে; যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনও রাজনৈতিক নেতাকে দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের অধিক সময় ধরে চলা রাজনৈতিক অবরুদ্ধ পরিস্থিতি এখন ভেঙে পড়ছে, আমরা এখন একটি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে হাঁটছি। এই পথাধ্যানে আমাদের মূল লক্ষ্য হল, প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। তাকে দেশের মান্য নাগরিক হিসাবে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তার এই স্বদেশ ফিরে আসা দেশার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমানের দেশে ফেরার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচিত এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা, যা দেশের গণতান্ত্রিক অর্জনের একটি সুন্দর পরিচয়। এই ফেরার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি এ কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ও তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমত প্রকাশের কারণে প্রয়াত রাষ্ট্রীয় অভ্যুত্থানের শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে থাকতে তাদের উপর দেশের নানা ধরনের কঠোরতা আর দমন-পীড়ন চালানো হয়। তবে হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলস্বরূপ আজ তিনি এবং তার পরিবার দেশে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষিত হবে; যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনও রাজনৈতিক নেতাকে দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের অধিক সময় ধরে চলা রাজনৈতিক অবরুদ্ধ পরিস্থিতি এখন ভেঙে পড়ছে, আমরা এখন একটি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে হাঁটছি। এই পথাধ্যানে আমাদের মূল লক্ষ্য হল, প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। তাকে দেশের মান্য নাগরিক হিসাবে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তার এই স্বদেশ ফিরে আসা দেশার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।