০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তারেক রহমানের দেশে ফেরার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নাহিদ ইসলাম

নির্বাচিত এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা, যা দেশের গণতান্ত্রিক অর্জনের একটি সুন্দর পরিচয়। এই ফেরার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি এ কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ও তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমত প্রকাশের কারণে প্রয়াত রাষ্ট্রীয় অভ্যুত্থানের শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে থাকতে তাদের উপর দেশের নানা ধরনের কঠোরতা আর দমন-পীড়ন চালানো হয়। তবে হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলস্বরূপ আজ তিনি এবং তার পরিবার দেশে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষিত হবে; যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনও রাজনৈতিক নেতাকে দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের অধিক সময় ধরে চলা রাজনৈতিক অবরুদ্ধ পরিস্থিতি এখন ভেঙে পড়ছে, আমরা এখন একটি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে হাঁটছি। এই পথাধ্যানে আমাদের মূল লক্ষ্য হল, প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। তাকে দেশের মান্য নাগরিক হিসাবে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তার এই স্বদেশ ফিরে আসা দেশার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচিত এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসলেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা, যা দেশের গণতান্ত্রিক অর্জনের একটি সুন্দর পরিচয়। এই ফেরার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি এ কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ও তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমত প্রকাশের কারণে প্রয়াত রাষ্ট্রীয় অভ্যুত্থানের শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে থাকতে তাদের উপর দেশের নানা ধরনের কঠোরতা আর দমন-পীড়ন চালানো হয়। তবে হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলস্বরূপ আজ তিনি এবং তার পরিবার দেশে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষিত হবে; যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনও রাজনৈতিক নেতাকে দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের অধিক সময় ধরে চলা রাজনৈতিক অবরুদ্ধ পরিস্থিতি এখন ভেঙে পড়ছে, আমরা এখন একটি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে হাঁটছি। এই পথাধ্যানে আমাদের মূল লক্ষ্য হল, প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। তাকে দেশের মান্য নাগরিক হিসাবে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তার এই স্বদেশ ফিরে আসা দেশার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।