০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

ডা. জাহিদ ליבিবব্যক্ত করে খালেদা জিয়ার স্মৃতি এবং নেত্রীর স্বভাব

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর কাছাকাছি ও একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সামনে এসব স্মৃতিচারণ করেন তিনি। ডা. জাহিদ বলছেন, বেগম জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিমা হিসেবে তাঁর সহযোদ্ধা ও নেতাকর্মীদের গভীর মাতৃস্নেহে আগলে রাখতেন। তিনি স্মরণ করেন, খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা ছিল কিংবদন্তীতুল্য; তাঁর বাসভবনে গিয়ে কেউ যদি কিছু খেয়েই ফিরত না, এমন ঘটনা কখনোই দেখা যায়নি।

স্মৃতিচারণে ডা. জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়া সর্বদা দেশের স্বার্থ, মানুষের সুখ-শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য চিন্তা করতেন। তিনি অত্যন্ত জনমানুষের নেত্রী এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য কোনো ধরনের ভুল বা অবহেলা করতেন না। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে তিনি চিকিৎসকদের প্রতি তাঁর আস্থার কথাও শেয়ার করেন। বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি যতই জটিল হোক না কেন, তিনি সর্বদা চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতেন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতেন। তাঁর এই ধৈর্য্য ও সহযোগিতা জীবনভর চিকিৎসকদের মুগ্ধ করে চলেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়ে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতায় দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছেন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং এরপর থেকেই দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তাঁর এই প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক সৃষ্টি হয়েছে। তার মরদেহ এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে ও দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি শেষ হচ্ছে তাঁর পরিবারের ও দলের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ শোকের ছায়ায় ডুবে গেছে, এবং এই শোকের মধ্যে নতুন এক যুগের অবসান ঘটল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

ডা. জাহিদ ליבিবব্যক্ত করে খালেদা জিয়ার স্মৃতি এবং নেত্রীর স্বভাব

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর কাছাকাছি ও একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সামনে এসব স্মৃতিচারণ করেন তিনি। ডা. জাহিদ বলছেন, বেগম জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিমা হিসেবে তাঁর সহযোদ্ধা ও নেতাকর্মীদের গভীর মাতৃস্নেহে আগলে রাখতেন। তিনি স্মরণ করেন, খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা ছিল কিংবদন্তীতুল্য; তাঁর বাসভবনে গিয়ে কেউ যদি কিছু খেয়েই ফিরত না, এমন ঘটনা কখনোই দেখা যায়নি।

স্মৃতিচারণে ডা. জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়া সর্বদা দেশের স্বার্থ, মানুষের সুখ-শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য চিন্তা করতেন। তিনি অত্যন্ত জনমানুষের নেত্রী এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য কোনো ধরনের ভুল বা অবহেলা করতেন না। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে তিনি চিকিৎসকদের প্রতি তাঁর আস্থার কথাও শেয়ার করেন। বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি যতই জটিল হোক না কেন, তিনি সর্বদা চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতেন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতেন। তাঁর এই ধৈর্য্য ও সহযোগিতা জীবনভর চিকিৎসকদের মুগ্ধ করে চলেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়ে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতায় দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছেন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং এরপর থেকেই দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তাঁর এই প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক সৃষ্টি হয়েছে। তার মরদেহ এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে ও দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি শেষ হচ্ছে তাঁর পরিবারের ও দলের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ শোকের ছায়ায় ডুবে গেছে, এবং এই শোকের মধ্যে নতুন এক যুগের অবসান ঘটল।