০৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডা. জাহিদ ליבিবব্যক্ত করে খালেদা জিয়ার স্মৃতি এবং নেত্রীর স্বভাব

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর কাছাকাছি ও একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সামনে এসব স্মৃতিচারণ করেন তিনি। ডা. জাহিদ বলছেন, বেগম জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিমা হিসেবে তাঁর সহযোদ্ধা ও নেতাকর্মীদের গভীর মাতৃস্নেহে আগলে রাখতেন। তিনি স্মরণ করেন, খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা ছিল কিংবদন্তীতুল্য; তাঁর বাসভবনে গিয়ে কেউ যদি কিছু খেয়েই ফিরত না, এমন ঘটনা কখনোই দেখা যায়নি।

স্মৃতিচারণে ডা. জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়া সর্বদা দেশের স্বার্থ, মানুষের সুখ-শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য চিন্তা করতেন। তিনি অত্যন্ত জনমানুষের নেত্রী এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য কোনো ধরনের ভুল বা অবহেলা করতেন না। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে তিনি চিকিৎসকদের প্রতি তাঁর আস্থার কথাও শেয়ার করেন। বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি যতই জটিল হোক না কেন, তিনি সর্বদা চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতেন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতেন। তাঁর এই ধৈর্য্য ও সহযোগিতা জীবনভর চিকিৎসকদের মুগ্ধ করে চলেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়ে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতায় দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছেন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং এরপর থেকেই দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তাঁর এই প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক সৃষ্টি হয়েছে। তার মরদেহ এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে ও দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি শেষ হচ্ছে তাঁর পরিবারের ও দলের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ শোকের ছায়ায় ডুবে গেছে, এবং এই শোকের মধ্যে নতুন এক যুগের অবসান ঘটল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডা. জাহিদ ליבিবব্যক্ত করে খালেদা জিয়ার স্মৃতি এবং নেত্রীর স্বভাব

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর কাছাকাছি ও একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সামনে এসব স্মৃতিচারণ করেন তিনি। ডা. জাহিদ বলছেন, বেগম জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিমা হিসেবে তাঁর সহযোদ্ধা ও নেতাকর্মীদের গভীর মাতৃস্নেহে আগলে রাখতেন। তিনি স্মরণ করেন, খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা ছিল কিংবদন্তীতুল্য; তাঁর বাসভবনে গিয়ে কেউ যদি কিছু খেয়েই ফিরত না, এমন ঘটনা কখনোই দেখা যায়নি।

স্মৃতিচারণে ডা. জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়া সর্বদা দেশের স্বার্থ, মানুষের সুখ-শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য চিন্তা করতেন। তিনি অত্যন্ত জনমানুষের নেত্রী এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য কোনো ধরনের ভুল বা অবহেলা করতেন না। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে তিনি চিকিৎসকদের প্রতি তাঁর আস্থার কথাও শেয়ার করেন। বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি যতই জটিল হোক না কেন, তিনি সর্বদা চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতেন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতেন। তাঁর এই ধৈর্য্য ও সহযোগিতা জীবনভর চিকিৎসকদের মুগ্ধ করে চলেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়ে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতায় দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছেন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং এরপর থেকেই দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তাঁর এই প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক সৃষ্টি হয়েছে। তার মরদেহ এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে ও দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি শেষ হচ্ছে তাঁর পরিবারের ও দলের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ শোকের ছায়ায় ডুবে গেছে, এবং এই শোকের মধ্যে নতুন এক যুগের অবসান ঘটল।