০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী–স্ত্রী গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ নম্বর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালেই আট বছর বয়সী এক শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আট বছরের রামিসা মিরপুরের পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

পরিবার ও প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে রামিসার মা মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে বের হন। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তিনি বাড়ির অন্যান্য লোকদের সঙ্গে তৃতীয় তলায় খোঁজ শুরু করেন। তৃতীয় তলার এক ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রাখানো রামিসার একটি স্যান্ডেল দেখার পর তারা ঘরটিতে ঢোকার চেষ্টা করেন; কিন্তু ভিতর থেকে কেউ দরজা খুলছিল না।

দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে ঘরের খাটের নিচে রামিসার দেহটি ও আলাদা স্থানে মাথা পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা জানায়, বাথরুমের একটি বালতিতে শিশুটির খণ্ডিত মাথা ছিল। ঘরে তখন স্বপ্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন; অন্যদিকে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পাওয়া যায় অভিযুক্ত সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়েছে।

খবর পেয়ে পল্লবী থানা, মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩২)কে আটক করা হয়। আগে থেকেই ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়েছিল।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে; তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ নিশ্চিত হবে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ ও সাক্ষ্যগ্রহণ করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও নীরবতা বিরাজ করছে; স্থানীয়রা দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকার এগোচ্ছে, জুনে পরামর্শক কমিটি

পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী–স্ত্রী গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ নম্বর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালেই আট বছর বয়সী এক শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আট বছরের রামিসা মিরপুরের পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

পরিবার ও প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে রামিসার মা মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে বের হন। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তিনি বাড়ির অন্যান্য লোকদের সঙ্গে তৃতীয় তলায় খোঁজ শুরু করেন। তৃতীয় তলার এক ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রাখানো রামিসার একটি স্যান্ডেল দেখার পর তারা ঘরটিতে ঢোকার চেষ্টা করেন; কিন্তু ভিতর থেকে কেউ দরজা খুলছিল না।

দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে ঘরের খাটের নিচে রামিসার দেহটি ও আলাদা স্থানে মাথা পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা জানায়, বাথরুমের একটি বালতিতে শিশুটির খণ্ডিত মাথা ছিল। ঘরে তখন স্বপ্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন; অন্যদিকে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পাওয়া যায় অভিযুক্ত সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়েছে।

খবর পেয়ে পল্লবী থানা, মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩২)কে আটক করা হয়। আগে থেকেই ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়েছিল।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে; তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ নিশ্চিত হবে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ ও সাক্ষ্যগ্রহণ করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও নীরবতা বিরাজ করছে; স্থানীয়রা দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।