০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

হাইতিকে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে জয় দিয়ে ফিরল স্কটল্যান্ড

দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা ভুলে স্কটল্যান্ড ফিফা বিশ্বকাপে বিজয়ে নিজেদের যাত্রা শুরু করেছে। ‘গ্রুপ সি’-র প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোচ স্টিভ ক্লার্কের শিষ্যরা গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আবারো বৈশ্বিক মঞ্চে খেলার সুযোগ পাওয়া স্কটিশদের জন্য এই জয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং মনোবল বাড়ানোর মতো প্রাপ্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবোরোতে শুরু থেকেই খেলায় দমবন্ধ করা আক্রমণে নামতে থাকে স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি চাপ বাড়িয়ে তারা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ভালো ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল করতে পারছিল না। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। ডান থেকে আসা নিখুঁত এক ক্রস পেনাল্টি বক্সের খোলা জায়গায় পেয়ে দুই পাঁচের কাছ থেকে জোরালো শট করে তিনি গোল করেন, যা ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোল হিসেবে রইল।

গোল হজমের পর হাইতি দ্রুত সমতা আনার চেষ্টা চালায়। প্রথমার্ধের শেষভাগ থেকে দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত তারা আগেভাগে আক্রমণপন্থী হয়ে উঠে এবং স্কটিশ রক্ষণভাগে অসংখ্য চাপ সৃষ্টি করে। তবুও স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ও রক্ষকরাও সতর্কতা অবলম্বন করে প্রতিটি আক্রমণ দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন এবং তাদের ব্যবধান সংরক্ষণ করতে সক্ষম হন।

এই জয়ের ফলে স্কটল্যান্ড গ্রুপ সি-তে শুরুতেই তিন পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে যায়। একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করলে স্কটিশদের অবস্থান আরও সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়। ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সংঘর্ষে ক্লার্কের দল প্রথম ম্যাচেই নিজেদের কৌশল ও লক্ষ্য স্পষ্ট করে দেখিয়েছে, যা পরবর্তী লড়াইয়ে তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করবে।

মোড় ঘোরানো এই জয় স্কটিশ খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য স্বস্তি এবং আস্থার খোরাক হয়ে উঠবে, এখন নজর আগামী ম্যাচগুলোর প্রস্তুতি ও টিমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী

হাইতিকে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে জয় দিয়ে ফিরল স্কটল্যান্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা ভুলে স্কটল্যান্ড ফিফা বিশ্বকাপে বিজয়ে নিজেদের যাত্রা শুরু করেছে। ‘গ্রুপ সি’-র প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোচ স্টিভ ক্লার্কের শিষ্যরা গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আবারো বৈশ্বিক মঞ্চে খেলার সুযোগ পাওয়া স্কটিশদের জন্য এই জয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং মনোবল বাড়ানোর মতো প্রাপ্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবোরোতে শুরু থেকেই খেলায় দমবন্ধ করা আক্রমণে নামতে থাকে স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি চাপ বাড়িয়ে তারা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ভালো ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল করতে পারছিল না। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। ডান থেকে আসা নিখুঁত এক ক্রস পেনাল্টি বক্সের খোলা জায়গায় পেয়ে দুই পাঁচের কাছ থেকে জোরালো শট করে তিনি গোল করেন, যা ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোল হিসেবে রইল।

গোল হজমের পর হাইতি দ্রুত সমতা আনার চেষ্টা চালায়। প্রথমার্ধের শেষভাগ থেকে দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত তারা আগেভাগে আক্রমণপন্থী হয়ে উঠে এবং স্কটিশ রক্ষণভাগে অসংখ্য চাপ সৃষ্টি করে। তবুও স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ও রক্ষকরাও সতর্কতা অবলম্বন করে প্রতিটি আক্রমণ দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন এবং তাদের ব্যবধান সংরক্ষণ করতে সক্ষম হন।

এই জয়ের ফলে স্কটল্যান্ড গ্রুপ সি-তে শুরুতেই তিন পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে যায়। একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করলে স্কটিশদের অবস্থান আরও সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়। ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সংঘর্ষে ক্লার্কের দল প্রথম ম্যাচেই নিজেদের কৌশল ও লক্ষ্য স্পষ্ট করে দেখিয়েছে, যা পরবর্তী লড়াইয়ে তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করবে।

মোড় ঘোরানো এই জয় স্কটিশ খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য স্বস্তি এবং আস্থার খোরাক হয়ে উঠবে, এখন নজর আগামী ম্যাচগুলোর প্রস্তুতি ও টিমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায়।