০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল অর্থনীতি ও কূটনীতিতে নতুন দ্বার খুলছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যে সংস্কার: চার বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ করবে সরকার মালয়েশিয়ায় ‘অপস কুতিপ’ অভিযানে ১১৮ বাংলাদেশি আটক ২২,৩৫২ প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কী করা যাবে: ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নির্দেশনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ একটি ‘মাফিয়া পার্টি’ শিশু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই সমাধান

পিরোজপুরে পুলিশ পরিবারের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

ঈদের আনন্দ আর উৎসবমুখর পরিবেশে পিরোজপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে শুক্রবার নয়, শনিবার (২০ জুন) পিরোজপুর পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও পরিবারের সঙ্গে মিলনমেলায় অংশ নিয়ে পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারগুলোকে এক ছাদের নিচে এনে দেয়ার উদ্দেশ্যেই আয়োজনটি করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন এবং পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), বরিশাল রেঞ্জের সভানেত্রী উম্মে হাসনাত শাহনাজ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান Policíaর পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার গুরুত্বে জোর দেন। তিনি বলেন যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা একটি সুস্থ সমাজ গঠনে অপ্রতিস্থাপ্য ভূমিকা রাখে এবং এসব আয়োজন পুলিশ সদস্যদের মানসিক প্রশান্তি ও কর্মস্পৃহা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

ডিআইজি বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাবান্ধব নীতি গ্রহণ করে যা তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে পুলিশসহ বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে; পুলিশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের জন্যও শুভসংকেত বয়ে আনছে।

আলোচনা সভার পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্য ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা গান, নৃত্য ও বিনোদন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন। সঙ্গীত ও অনুষ্ঠান চলাকালীন উপস্থিতরা আন্তরিকভাবে উৎসাহ দেন, যা পুরো উপলক্ষটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

শেষে নৈশভোজে মিলিত হয়ে উপস্থিত সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে কথাকাটাকাটি ও হাসি-আড্ডায় মেতে উঠে। উৎসবমুখর এই মিলনমেলা পুলিশ পরিবার ও স্থানীয় সমাজের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতাকে আরও জোরদার করেছে এবং দিনটি সকলের জন্য স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল

পিরোজপুরে পুলিশ পরিবারের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ঈদের আনন্দ আর উৎসবমুখর পরিবেশে পিরোজপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে শুক্রবার নয়, শনিবার (২০ জুন) পিরোজপুর পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও পরিবারের সঙ্গে মিলনমেলায় অংশ নিয়ে পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারগুলোকে এক ছাদের নিচে এনে দেয়ার উদ্দেশ্যেই আয়োজনটি করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন এবং পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), বরিশাল রেঞ্জের সভানেত্রী উম্মে হাসনাত শাহনাজ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান Policíaর পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার গুরুত্বে জোর দেন। তিনি বলেন যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা একটি সুস্থ সমাজ গঠনে অপ্রতিস্থাপ্য ভূমিকা রাখে এবং এসব আয়োজন পুলিশ সদস্যদের মানসিক প্রশান্তি ও কর্মস্পৃহা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

ডিআইজি বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাবান্ধব নীতি গ্রহণ করে যা তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে পুলিশসহ বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে; পুলিশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের জন্যও শুভসংকেত বয়ে আনছে।

আলোচনা সভার পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্য ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা গান, নৃত্য ও বিনোদন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন। সঙ্গীত ও অনুষ্ঠান চলাকালীন উপস্থিতরা আন্তরিকভাবে উৎসাহ দেন, যা পুরো উপলক্ষটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

শেষে নৈশভোজে মিলিত হয়ে উপস্থিত সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে কথাকাটাকাটি ও হাসি-আড্ডায় মেতে উঠে। উৎসবমুখর এই মিলনমেলা পুলিশ পরিবার ও স্থানীয় সমাজের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতাকে আরও জোরদার করেছে এবং দিনটি সকলের জন্য স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।