০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সুইজারল্যান্ডে আলোচনার অগ্রগতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম 크게 নামল

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতির পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বড় পরিমাণে কমেছে। সোমবার (২২ জুন) এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বাজারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দর প্রতি ব্যারেলে ১.৫৩ ডলার (প্রায় ১.৯০%) কমে ৭৯.০৪ ডলারে নেমে এসেছে। দিনের শুরুতে অনিশ্চয়তার সময়ে একইভাবে ব্রেন্ট ৮২.৩০ ডলারে পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। আলোচনা থেকে ইতিবাচক সিগনাল আসায় দীর্ঘদিনের সরবরাহ উদ্বেগ কিছুটা দূর হয়ে বাজার হালকা স্থিতিশীল হয়েছে।

আলোচনার পূর্ববর্তী সময়টিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ শুরুর হুমকি এবং ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুঁশিয়ারি তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। তবে সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় অগ্রগতির খবরে সেই আশঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে এবং তা দর কমে যাওয়ায় প্রতিফলিত হয়েছে।

মার্কিন বাজারে ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড তেলের দামও হারিয়েছে; চুক্তি মেয়াদ শেষে এটি ৭৬.৫৩ ডলারে স্থির হয়েছে। আগস্ট মাসের ফিউচার কনট্রাক্টের দর ৫৫ সেন্ট কমে প্রতি ব্যারেলে ৭৫.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটির কারণে গত শুক্রবার বাজারের আনুষ্ঠানিক দর নির্ধারণ করা যায়নি।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো জানিয়েছে যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা রোববার থেকে নিবিড় সংলাপে অংশ নেন। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ—যা এপ্রিল থেকে চলছে—অন্তত ৬০ দিন বাড়ানো এবং দুই দেশের সম্পর্ককে ধাপে ধাপে স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করা।

বিশ্ববাজার এখন এই আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতি এবং যে চুক্তি বেরোবে তার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা নিয়েই কড়া নজর রাখছে। বর্তমানে আলোচনার ইতিবাচক ফলের আশায় তেলের বাজারে সরবরাহসংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ কিছুটা কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সুইজারল্যান্ডে আলোচনার অগ্রগতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম 크게 নামল

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতির পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বড় পরিমাণে কমেছে। সোমবার (২২ জুন) এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বাজারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দর প্রতি ব্যারেলে ১.৫৩ ডলার (প্রায় ১.৯০%) কমে ৭৯.০৪ ডলারে নেমে এসেছে। দিনের শুরুতে অনিশ্চয়তার সময়ে একইভাবে ব্রেন্ট ৮২.৩০ ডলারে পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। আলোচনা থেকে ইতিবাচক সিগনাল আসায় দীর্ঘদিনের সরবরাহ উদ্বেগ কিছুটা দূর হয়ে বাজার হালকা স্থিতিশীল হয়েছে।

আলোচনার পূর্ববর্তী সময়টিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ শুরুর হুমকি এবং ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুঁশিয়ারি তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। তবে সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় অগ্রগতির খবরে সেই আশঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে এবং তা দর কমে যাওয়ায় প্রতিফলিত হয়েছে।

মার্কিন বাজারে ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড তেলের দামও হারিয়েছে; চুক্তি মেয়াদ শেষে এটি ৭৬.৫৩ ডলারে স্থির হয়েছে। আগস্ট মাসের ফিউচার কনট্রাক্টের দর ৫৫ সেন্ট কমে প্রতি ব্যারেলে ৭৫.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটির কারণে গত শুক্রবার বাজারের আনুষ্ঠানিক দর নির্ধারণ করা যায়নি।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো জানিয়েছে যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা রোববার থেকে নিবিড় সংলাপে অংশ নেন। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ—যা এপ্রিল থেকে চলছে—অন্তত ৬০ দিন বাড়ানো এবং দুই দেশের সম্পর্ককে ধাপে ধাপে স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করা।

বিশ্ববাজার এখন এই আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতি এবং যে চুক্তি বেরোবে তার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা নিয়েই কড়া নজর রাখছে। বর্তমানে আলোচনার ইতিবাচক ফলের আশায় তেলের বাজারে সরবরাহসংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ কিছুটা কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।