০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭-এর সমর্থন নিশ্চিত লোভনীয় চাকরির ফাঁদ: কম্বোডিয়ার ‘সাইবার দাসত্বে’ বন্দি বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি ইসিতে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল, উদ্বৃত্ত ৬ কোটি ৯৩ লাখ

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিজের দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিএনপি। দলটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা এবং মোট ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। এর ফলে দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত হিসাবে রয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এই হিসাব ইসি সচিবালয়ে জমা দিতে দলের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যায়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন।

প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন— স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে অংশ নেবে তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন ও আদালত; বিএনপি এখনো কোনো প্রার্থীর প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন দেয়নি। তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই দলের কনগ্রেস বা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও আয়-ব্যয়ের হিসাব সময়মতো নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৩১ জুলাইয়ের আগেই এ হিসাব জমা দিয়েছেন তারা।

রাজনীতিক দলগুলো সাধারণত সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে আয় দেখায়। আয় ব্যয় হিসাবের বিপরীতে সারা বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতা-কর্মীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যয় দেখানো হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। নিয়মিত তিন বছর টানা এই হিসাব জমা না দিলে দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিএনপি ইসিতে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল, উদ্বৃত্ত ৬ কোটি ৯৩ লাখ

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিজের দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিএনপি। দলটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৮২ টাকা এবং মোট ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। এর ফলে দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত হিসাবে রয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা।

রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এই হিসাব ইসি সচিবালয়ে জমা দিতে দলের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যায়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন।

প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন— স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে অংশ নেবে তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন ও আদালত; বিএনপি এখনো কোনো প্রার্থীর প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন দেয়নি। তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই দলের কনগ্রেস বা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি বছরের মতো এবারও আয়-ব্যয়ের হিসাব সময়মতো নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৩১ জুলাইয়ের আগেই এ হিসাব জমা দিয়েছেন তারা।

রাজনীতিক দলগুলো সাধারণত সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে আয় দেখায়। আয় ব্যয় হিসাবের বিপরীতে সারা বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন এবং অসচ্ছল নেতা-কর্মীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যয় দেখানো হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। নিয়মিত তিন বছর টানা এই হিসাব জমা না দিলে দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে।