০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-চীন কৃষি পণ্য বাণিজ্যে সহযোগিতা চূড়ান্ত মোড়কে

কৃষি মন্ত্রণালয় ও চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস (GACC)-এর মধ্যে কৃষি পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অপর দিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের ভাইস মিনিস্টার ওয়াং লিং জুন।

বৈঠকে উভয় দেশ তাদের কৃষি খাতের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার গুরুত্বে আলোচনা করেছেন। মূল বিষয়বস্তু ছিল রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়াগুলো সহজ ও দ্রুত করার উপায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, কাস্টমস এবং কুইরেন্টাইন সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো, জ্ঞান বিনিময়, এবং যৌথ গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যত ভিত্তিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা।

উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য চীনের বাজার খুলে দেওয়ার সাম্প্রতিক অনুমোদনকেও স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই অর্জনের ভিত্তিতে দুই দেশ দ্রুত নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি মান উন্নয়ন, নমুনা পরীক্ষাগার ও পরিদর্শন ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতি, ডিজিটাল অনুসন্ধান ও ঝুঁকিভিত্তিক ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করতে আগ্রহী। পাশাপাশি, তিনি কাঁঠাল, পেয়ারা, আলু এবং সুগন্ধি চালের পরীক্ষামূলক চালান পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

আলোচনাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের ও চীনের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে, কৃষি বাণিজ্য ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা বাংলাদেশের কৃষি sector এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বাংলাদেশ-চীন কৃষি পণ্য বাণিজ্যে সহযোগিতা চূড়ান্ত মোড়কে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

কৃষি মন্ত্রণালয় ও চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস (GACC)-এর মধ্যে কৃষি পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অপর দিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের ভাইস মিনিস্টার ওয়াং লিং জুন।

বৈঠকে উভয় দেশ তাদের কৃষি খাতের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার গুরুত্বে আলোচনা করেছেন। মূল বিষয়বস্তু ছিল রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়াগুলো সহজ ও দ্রুত করার উপায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, কাস্টমস এবং কুইরেন্টাইন সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো, জ্ঞান বিনিময়, এবং যৌথ গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যত ভিত্তিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা।

উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য চীনের বাজার খুলে দেওয়ার সাম্প্রতিক অনুমোদনকেও স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই অর্জনের ভিত্তিতে দুই দেশ দ্রুত নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি মান উন্নয়ন, নমুনা পরীক্ষাগার ও পরিদর্শন ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতি, ডিজিটাল অনুসন্ধান ও ঝুঁকিভিত্তিক ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করতে আগ্রহী। পাশাপাশি, তিনি কাঁঠাল, পেয়ারা, আলু এবং সুগন্ধি চালের পরীক্ষামূলক চালান পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

আলোচনাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের ও চীনের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে, কৃষি বাণিজ্য ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা বাংলাদেশের কৃষি sector এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।