১২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

বাংলাদেশ-চীন কৃষি পণ্য বাণিজ্যে সহযোগিতা চূড়ান্ত মোড়কে

কৃষি মন্ত্রণালয় ও চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস (GACC)-এর মধ্যে কৃষি পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অপর দিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের ভাইস মিনিস্টার ওয়াং লিং জুন।

বৈঠকে উভয় দেশ তাদের কৃষি খাতের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার গুরুত্বে আলোচনা করেছেন। মূল বিষয়বস্তু ছিল রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়াগুলো সহজ ও দ্রুত করার উপায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, কাস্টমস এবং কুইরেন্টাইন সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো, জ্ঞান বিনিময়, এবং যৌথ গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যত ভিত্তিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা।

উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য চীনের বাজার খুলে দেওয়ার সাম্প্রতিক অনুমোদনকেও স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই অর্জনের ভিত্তিতে দুই দেশ দ্রুত নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি মান উন্নয়ন, নমুনা পরীক্ষাগার ও পরিদর্শন ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতি, ডিজিটাল অনুসন্ধান ও ঝুঁকিভিত্তিক ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করতে আগ্রহী। পাশাপাশি, তিনি কাঁঠাল, পেয়ারা, আলু এবং সুগন্ধি চালের পরীক্ষামূলক চালান পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

আলোচনাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের ও চীনের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে, কৃষি বাণিজ্য ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা বাংলাদেশের কৃষি sector এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

বাংলাদেশ-চীন কৃষি পণ্য বাণিজ্যে সহযোগিতা চূড়ান্ত মোড়কে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

কৃষি মন্ত্রণালয় ও চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস (GACC)-এর মধ্যে কৃষি পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অপর দিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের ভাইস মিনিস্টার ওয়াং লিং জুন।

বৈঠকে উভয় দেশ তাদের কৃষি খাতের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার গুরুত্বে আলোচনা করেছেন। মূল বিষয়বস্তু ছিল রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়াগুলো সহজ ও দ্রুত করার উপায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, কাস্টমস এবং কুইরেন্টাইন সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো, জ্ঞান বিনিময়, এবং যৌথ গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যত ভিত্তিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা।

উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য চীনের বাজার খুলে দেওয়ার সাম্প্রতিক অনুমোদনকেও স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই অর্জনের ভিত্তিতে দুই দেশ দ্রুত নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি মান উন্নয়ন, নমুনা পরীক্ষাগার ও পরিদর্শন ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতি, ডিজিটাল অনুসন্ধান ও ঝুঁকিভিত্তিক ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করতে আগ্রহী। পাশাপাশি, তিনি কাঁঠাল, পেয়ারা, আলু এবং সুগন্ধি চালের পরীক্ষামূলক চালান পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

আলোচনাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের ও চীনের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে, কৃষি বাণিজ্য ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা বাংলাদেশের কৃষি sector এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।